পৌরসভার রাস্তায় টিনের বেড়া, ঘরবন্দি কয়েকটি পরিবার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ১২:০৭ পিএম, ১৭ মে ২০২১

পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুজিবনগর এলাকার একটি রাস্তায় কাঠ ও টিনের বেড়া দিয়ে চলার পথ বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে শনিবার (১৫ মে) থেকে সাতটি পরিবারের মানুষজন ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গলাচিপা পৌরসভার মুজিবনগর রোড এলাকার সাবেক সিনিয়র শিক্ষক (বাংলা) সুলতান আহম্মেদের বাসার পূর্ব পাশের দক্ষিণমুখী রাস্তা দিয়ে ২৫ পরিবারের শতাধিক মানুষ দীর্ঘদিন চলাচল করে আসছেন। ২০১০-১১ অর্থবছরে গলাচিপা পৌরসভার বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে এই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তার পার্শ্ববর্তী দুই-তিন জন বাসিন্দা হাটার পথে বিঘ্নের সৃষ্টি করে আসছে।

ভুক্তভোগী গলাচিপা মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও সাংবাদিক মো. হারুন অর রশিদ, দলিল লেখক মো. মজিবর রহমান, ব্যবসায়ী বশির মৃধা, আনোয়ার গাজী জানান, শনিবার সকালে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ শেষ প্রান্তে সাতটি পরিবারের চলাচলের পথটি রিপন কর্মকার ও শিলা কর্মকার কাঠ ও টিনের বেড়া দিয়ে আটকিয়ে দেয়। বিগত দিনে পৌরসভার রাস্তা দিয়ে চলাচল করার সময় রাস্তার পার্শ্ববর্তী বাসিন্দারা মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে আসছিল। টাকা পরিশোধ না করলে রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার হুমকিও দেয়। এই কারণেই শনিবার রাস্তা বন্ধ করে দেয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিলা কর্মকার বলেন, ‘রাস্তার পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীর গাজী ও জালাল গাজী (রিয়াজ) আমাকে দিয়ে রাস্তায় বেড়া দিতে বাধ্য করেছে। বেড়া না দিলে তাদের রাস্তা দিয়ে আমাদের চলাচল বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়। এজন্য আমি পৌরসভার রাস্তায় টিনের বেড়া দিতে বাধ্য হয়েছি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর গাজী বলেন, ‘রাস্তায় কোনো বেড়া দেয়া হয়নি। যার অভিযোগ করছে তারা পৌরসভার বাসিন্দা না।’

এ বিষয়ে গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহেব আলী মাতুব্বর বলেন, ‘সড়কটি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানুষ চলাচল করে আসছে। তাই রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগই নাই।’

গলাচিপা পৌরসভার মেয়র আহসানুল হক তুহিন বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। বিষয়টি সমাধান করা হবে।’

এসজে/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]