বিধিনিষেধেও কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলে রুম ভাড়া দেয়া হচ্ছে পর্যটকদের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ১৮ মে ২০২১ | আপডেট: ০৮:৪২ পিএম, ১৮ মে ২০২১

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশের মতো পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতেও লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ফলে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়ে সৈকত। পর্যটক না থাকায় আবাসিক হোটেল মোটেলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু ঈদের দিন বিকেল থেকে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।

ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সৈকতে আসেন হাজারও পর্যটক। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু হোটেল-মোটেলে পর্যটক তুলে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু হোটেল সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঈদের দিন থেকেই পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোপনে পর্যটকদের তাদের হোটেলের কক্ষ ভাড়া দেয়া শুরু করে। এমন সংবাদে সোমবার অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় চারটি হোটেলে ২০-২৫ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে সটকে পড়েন পর্যটকরা।

অভিযানে হোটেল সি-কুইনের মালিককে ৫ হাজার টাকা, হোটেল রিসমন লিমিটেডের মালিককে ২৫ হাজার টাকা ও রুম ব্যবহারকারী উজিরপুরের বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলামকে ৪০০ টাকা, হোটেল নিউ প্যালেসের মালিককে ৬ হাজার টাকা, হোটেল নিউ সিলভার ক্রাউনের মালিককে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি মোতালেব শরীফ জানান, সরকারের লকডাউনের চিঠি প্রত্যেক হোটেল মোটেলে দেয়া হয়েছে। এখন যদি তারা সেগুলো অমান্য করে তাহলে তাদের জেল-জরিমানা হওয়াই উচিত। হোটেলে পর্যটকরা অবস্থান করলে তো করোনা আরও ছড়াবে পাশাপাশি কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র হুমকির মধ্যে পড়বে। আমরা চাই এমন অভিযান আরও পরিচালনা করা হোক।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎ বন্ধু মন্ডল জানান, সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই হোটেলগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের সাবধান করে দেয়া হয়েছে।

এসজে

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]