দিনাজপুরে পিতলের গণেশ মূর্তিসহ দুই যুবক আটক
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রতারণার অভিযোগে পিতলের গণেশ মূর্তিসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৯ মে) বিকেলে উপজেলার পালশা ইউনিয়নের বলাহার দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, ঘোড়াঘাট উপজেলার কালিনজিরা ওহিউড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে হুমায়ুন কবীর (৩৮) ও একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩২)।
এ ঘটনায় উপজেলার খোদাদাদপুর গ্রামের আয়নাল হকের মেয়ে দেলোয়ারা বেগম আটক দুজনসহ তিনজনের নামে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেছেন।
মামলার বাদী দেলোয়ারা বেগম জানান, আটক দুই ব্যক্তি সম্পর্কে তার আত্মীয় হন। দুই মাস আগে হুমায়ুন কবীর সোনালী রঙের একটি গণেশ মূর্তি নিয়ে তার বাড়িতে যান। মূর্তিটি স্বর্ণের এবং এর বাজার মূল্য কোটি টাকার কাছাকাছি বলে দেলোয়ারাকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখান।

গত মার্চ মাসের ২৫ তারিখে হুমায়ুন দেলোয়ারার কাছে মূর্তিটি রেখে তিন লাখ টাকা নিয়ে একমাসের মধ্যে মূর্তিটি বিক্রি করে দ্বিগুণ টাকা দিবে বলে আশ্বস্ত করেন। কয়েকদিন পর হুমায়ুন একটি মূর্তি ক্রেতাকে গণেশ মূর্তি দেখানোর জন্য দেলোয়ারার কাছে রাখা মূর্তিটি নিজের হেফাজতে নেন।
এরপর দুই মাস অতিবাহিত হলেও হুমায়ুন তাকে কোনো টাকা ফেরত না দিয়ে আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। এক পর্যায়ে গত বুধবার (২০ মে) হুমায়ুনকে বলাহার দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দেখে তিনি (দেলোয়ারা) টাকা ফেরত চান। হুমায়ুন টাকা ফেরত দিতে পারবে না বলে দেলোয়ারাকে হত্যার হুমকি দেন।
ঘোড়াঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) খুরশীদ জাহান বলেন, স্কুল মাঠে লোকজনের সমাগম দেখে সেখানে যাই। দুই পক্ষের কথা শুনে সন্দেহ হলে আমরা দুই ব্যক্তিকে আটক করি। আটকের পর হুমায়ুনের কোমরে লুকিয়ে রাখা একটি পিতলের গণেশ মূর্তি জব্দ করি।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, মূর্তিটির সামনে অংশ পিতলের শিশায় ভর্তি। পিতলের মূর্তিটিকে আটক ব্যক্তিরা সোনার মূর্তি বলে প্রতারণা করে আসছিলেন।
এমদাদুল হক মিলন/আরএইচ/এএসএম