সেই রিমুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক
নেত্রকোনায় মাথার হাড়ে ছিদ্র হয়ে ইনফেকশন হওয়া ১১ বছর বয়সী রিমুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসক। রোববার (২৩ মে) তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়।
শনিবার (২২ মে) ‘অসুস্থ রিমুকে বাঁচাতে মায়ের আকুতি’ শিরোনামে জাগো নিউজে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
রিমু আক্তার সদর উপজেলার ফচিকা গ্রামের তারেক মিয়ার মেয়ে।
জানা যায়, মেয়ে রিমু আক্তারকে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না হাফিজা আক্তার। তিনি অন্যের বাড়িতে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন।
তিন বছর আগে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলার সময় কপালে পাথরের ঢিল লেগে আঘাত পান তিনি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা করার পর কিছুটা ভালো হয় সে।
কিন্তু কিছুদিন পর তার আঘাতের জায়গা আবার ফুলে যায়। এরপর নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ফুলা জায়গা কেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে কিছুদিন ভালো থাকার পরে আবার ওই ক্ষত বাড়তে শুরু করে। একপর্যায়ে কাটা জায়গা দিয়ে পুঁজ বের হতে থাকে।
পরে ঢাকা নেয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, তার মাথার হাড়ে ছিদ্র হয়ে ইনফেকশন হয়ে গেছে। পরে অপারেশন করার পর অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠে সে।
এর একবছর পর আবার রিমুর মাথা ফুলতে শুরু করে। আগের মত পুঁজ বের হতে থাকে। এরপর হাফিজা আক্তার ঢাকায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলেও করোনাসহ বিভিন্ন কারণে হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেননি রিমুকে।
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান রোববার বেলা ৩টায় বলেন, অসুস্থ রিমুর সংবাদটি পেয়ে আমি তার খোঁজ নিয়েছি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে রোববার ঢাকা পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এইচ এম কামাল/এসএমএম/এমএস