কোম্পানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ ৯ জন হাসপাতালে, একজনকে ঢাকায় প্রেরণ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৮:৪৫ এএম, ৩০ মে ২০২১

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ নয়জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে আহত সবুজকে (৪০) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দেলোয়ার হোসেন (৪৭), ফয়সাল আহমেদ জিসান (২৩), নওশাদ (৩৫), মো. সবুজ (৪০), রুহুল আমিন সানি (৩০), দেলোয়ার হোসেন (২৮), চরকাঁকড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দেলোয়ার হোসেন সুমন (২৭), দিদার (৩৫) ও মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২)।

jagonews24

স্থানীয়রা জানান, কাদের মির্জার লোকজন পৌরসভা অভিমুখে মিছিল নিয়ে আসার প্রস্তুতি নেয়াকালে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের লোকজন গুলিবর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কাদের মির্জার ৯ অনুসারী গুলিবিদ্ধ হন।

অবস্থার অবনতি হলে গুলিবিদ্ধ মো. সবুজকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ড. আজিম। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি রাত সোয়া ১১টায় জানান, অস্ত্রবাজদের গ্রেফতারে পুলিশের কয়েকটি দল মাঠে অভিযান চালাচ্ছে।

jagonews24

এদিকে মেয়র কাদের মির্জা এ ঘটনায় প্রশাসনকে দায়ী করে এএসপি, ইউএনও, এসিল্যান্ড ও ওসির প্রত্যাহার দাবি করে বড় ভাই ওবায়দুল কাদেরকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। অন্যথায় সব দায়িত্ব তাকেই (ওবায়দুল কাদের) নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

শনিবার রাত ৯টায় নিজের অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের লাইভে এসে এ হুঁশিয়ারি দেন কাদের মির্জা। তিনি ওই হামলার জন্য প্রতিপক্ষ বাদল গ্রুপকে দায়ী করেন।

প্রসঙ্গত, গত পাঁচ মাস থেকে মেয়র কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্ব সংঘাত চলছে। এ নিয়ে এসব ঘটনায় দু’জন নিহত ও শতাধিক লোক আহত হয়েছেন।

এসএমএম/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।