নিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই, বৃষ্টিতে মহাসড়কে জমছে পানি

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশিত: ০৯:২০ পিএম, ০১ জুন ২০২১

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে চলছে ছোট যানবাহনগুলো। গাড়িতে ওঠানামায় দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা। এছাড়া ভোগান্তিতে পড়ছেন সড়কে চলাচলকারী হাজারও মানুষ।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক বংশাই রোড। সোমবার রাত ও মঙ্গলবার সকালের বৃষ্টিতে এই রোডের মির্জাপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হাঁটু সমান পানি জমে। সড়কের দুপাশে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় জমে থাকা পানি যাওয়ার সুযোগ নেই। এতে মহাদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক নির্মাণ এবং পরবর্তীতে তা চারলেনে উন্নীত করা হয়। বর্তমানে মহাসড়কটি ছয়লেনে উন্নীত হওয়ার কাজ চলছে। বাসস্ট্যান্ড এলাকার জমির মালিকরা নিচু জমি ভরাট করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ি নির্মাণ করেন। এতে মহাসড়কের মির্জাপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে নিচু হওয়ায় মহাসড়কের ওপর বৃষ্টির পানি জমে থাকছে। পানি নিষ্কাশনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

Tangail3

২০০০ সালে মির্জাপুর পৌরসভা গঠিত হয়। বর্তমানে মির্জাপুর পৌরসভা প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে। মির্জাপুর পৌরসভার আংশিক ও উপজেলার লতিফপুর, তরফপুর, বাঁশতৈল, আজগানা ও ফতেপুর ইউনিয়নের আংশিক এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে থাকে। বংশাই নদীর ওপর সেতু নির্মিত হওয়ার পর এই সড়ক দিয়ে মানুষের চলাচলের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সখিপুর, বাসাইল ও ময়মনসিংহের কয়েকটি উপজেলার মানুষ ওই রোড দিয়ে মির্জাপুর হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে থাকে। মির্জাপুর বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পানি জমে থাকায় জনযানের অবাধ চলাচল ম্লান করে দিয়েছে।

Tangail3

মোটরসাইকেল চালক জয়নাল মিয়া, অটোরিকশাচালক রুবেল, আবেদ আলী ও আলী মিয়া জানান, মহাসড়কের ওপর পানি জমে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

পোষ্টকামুরী পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ মিয়া, ফরিদ হোসেন, শামীম মিয়া, বংশাই রোডের ওষুধ ব্যবসায়ী ত্রিমোহন গ্রামের বাসিন্দা রিপন রাজবংশী জানান, বৃষ্টি হলেই বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পানি জমে থাকছে। এতে জনযান চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া প্রতিনিয়ত কাপড় নষ্ট হচ্ছে।

Tangail3

মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমন সাহা, বিপ্লব সরকার, বিদ্যুৎ সাহা জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির মৌসুমে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পানি জমে থাকায় বাসে ওঠানামা করতে সমস্যা হয়।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চারলেন প্রকল্পের সেকশন-২ এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘জলাবদ্ধতার খবর পেয়ে আমাদের কিছু লোককে পরিদর্শনে পাঠানো হয়েছে। মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলে সেখানে সামিয়কভাবে মাটির ড্রেনেজের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। পরবর্তীতে পানি নিষ্কাশনে রাস্তার দুপাশেই আধাকিলোমিটার করে স্থায়ী ড্রেনেজ করে দেয়া হবে।’

এস এম এরশাদ/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।