হাতিয়ায় নদী পারাপারে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৮:১৪ এএম, ১৮ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৯:০২ এএম, ১৮ জুন ২০২১

বৈরি আবহাওয়া ও সরকারি সি-ট্রাকটি বিকল দেখিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় ট্রলারে যাত্রী পরিবহনে বাধ্য করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

গত পাঁচ দিন বৈরি আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল থাকায় সতর্কভাবে নদী পারাপারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু হাতিয়ার স্থানীয় প্রভাবশালীরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।

স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, বর্তমানে সরকারি সি-ট্রাকটি বিকল অবস্থায় আছে। বৈরি আবহাওয়ায় স্প্রিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে হাতিয়ায় সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতার তিনটি ট্রলার প্রতিদিন যাত্রী পরিবহন করছে।

স্থানীয়দের দাবি, আগে জনপ্রতি ১৫০ টাকা ভাড়া নির্ধারিত থাকলেও বর্তমানে জনপ্রতি ২০০ টাকা করে ভাড়া নেয়া হচ্ছে। প্রত্যেক ট্রলারে আনুমানিক তিনশ যাত্রী পারাপার হয়। প্রতিদিন ওই তিন ট্রলার অসংখ্যবার যাতায়াত করে বলেও জানানো হয়।

টিকেটের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি স্বীকার করেন চেয়ারম্যান ঘাটের টিকেট নিয়ন্ত্রক আবুল কাশেম। তিনি জানান, লকডাউনের শুরু থেকে টিকেটের মূল্য ২০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। আবুল কাশেম সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর লোক হিসেবে পরিচিত।

হাতিয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, হাতিয়াকে শাসন করছেন মোহাম্মদ আলী। উনার কোনো সিদ্ধান্তের বাহিরে কেউ গেলে বা প্রতিবাদ করলে সে হাতিয়ায় থাকা দুষ্কর হয়ে পড়বে।

তবে সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী দাবি করেন তার যাত্রীবাহী কোনো ট্রলার নেই। তবে নদীতে মাছধরার ট্রলার রয়েছে। তিনি সি-ট্রাক বন্ধ থাকার বিষয়ে বলেন, এটি অনেক দিনের পুরনো তাই বেশিরভাগ সময় নষ্ট থাকে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। তবে বৈরি আবহাওয়ায় নদী পারাপারে সতর্কতা পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]