দুর্ঘটনায় হাত হারিয়ে হাসপাতালের বেডে হায়দার, বাঁচাতে বাবার আকুতি
এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন হায়দার (১৮)। করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের অসচ্ছলতা দূর করতে ইলেকট্রিকের কাজ শুরু করেন। কিন্তু সেই কাজই কেড়ে নিলো তার জীবন চলার গতি। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই হাত ও দুই পা পুড়ে যায়। কেটে ফেলা হয় দুই হাত। এখন বেঁচে থাকার স্বপ্ন নিয়ে হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন।
হায়দার নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মো. ইউনুস মিয়ার ছেলে। এখন তিনি শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
হায়দারের বাবা ইউনুস মিয়া জানান, ছেলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে সহায়-সম্বল সব শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাকে পুরোপুরি সুস্থ করতে আরও আট লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এ টাকা ব্যয় করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তিনি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
সপ্তগাঁও ব্লাড ডোনার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সৈকত জানান, হায়দারের সাহায্যার্থে তাদের সংগঠন তহবিল গঠন করেছে। হায়দারের বড়ভাই আবুল হাসেমের সঙ্গে (০১৬১০০৫৮৪৬৮) এই নম্বরে যোগাযোগ করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
ইকবাল হোসেন মজনু/এসজে/এমকেএইচ