শেষ সময়ে জমে উঠেছে পটুয়াখালীর কামারশালা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৬:০০ পিএম, ১৮ জুলাই ২০২১

কোরবানি ঈদের সময় পশু জবাইসহ মাংস প্রস্তত করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতির মতো ধারালো অস্ত্রের। এ কারণে কোরবানির প্রস্তুতি হিসেবে দা, বঁটি, চাপাতি ধার করাতে ও বানাতে বিভিন্ন কামারশালায় ছুটছে মানুষ।

পটুয়াখালীর কামারশালার শ্রমিকদের এখন দম ফেলার সময় নেই। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে ঠুং ঠাং শব্দ। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবার বেচাবিক্রি কম বলে জানান ব্যবসায়ীর।

পটুয়াখালীর বেশিরভাগ কামারশালা রয়েছে শহরের পুরান বাজার এলাকায়। ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই এলাকায় দোকান খুলে ব্যবসা করছেন কামাররা। অনেকেরই নিজস্ব গ্রাহক আছে, যারা নির্দিষ্ট কামারশালাতেই দা, বঁটি ধার করান।

শহরের পুরান বাজারের ঐতিহ্যবাহী কালা কর্মকারের দোকানের শ্রমিক লিটন কর্মকার জানান, ১৫ দিন আগ থেকেই তাদের ব্যবস্থা বেড়েছে। বর্তমানে দা, বঁটি, চাপাতি ধার করতে ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। এছাড়া গাড়ির স্প্রিং পাতি দিয়ে তৈরি করা দা, বঁটি ৮০০ টাকা কেজি এবং চাপাতি ৬০০ টাকা কেজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

jagonews24

ছোট চাকু ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। রেল পাতের দা, বঁটি ৬০০ টাকা কেজি এবং কাঁচা লোহা দিয়ে তৈরি দা-বঁটি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করোনার আগে কোরবানির ঈদে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার বেচাকেনা হলেও এবার পাঁচ হাজার থেকে আট হাজারের বেশি হচ্ছে না। এছাড়া বিগত বছরগুলোতে কোরবানির সময় নতুন দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি তৈরি করা হলেও এবার পুরাতন অস্ত্র ধার দেয়ার মধ্যেই অনেকে সীমাবদ্ধ রয়েছেন। ফলে বেচাকেনা কম।

পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারেও বর্তমানে ছোট ছোট কামারশালা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় এর সংখ্যা শতাধিক বলে জানা গেছে।

এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।