‘ক’ শ্রেণিভুক্ত পৌরসভায় এ কেমন সেবা

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ১৭ আগস্ট ২০২১

বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে মির্জাপুর পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক ও কুমুদিনী হাসপাতাল রোড। কুমুুদিনী হাসপাতাল ও বংশাই রোডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে জনদুর্ভোগ চরম পৌঁছেছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

২০০০ সালে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে যাত্রা শুরু হয় ‘গ’ শ্রেণির মির্জাপুর পৌরসভার। ২০০৮ সালে এ পৌরসভা ‘খ’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। পৌর ট্যাক্স আদায় সন্তোষজনক হওয়ায় ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। বর্তমানে এ পৌরসভায় প্রায় ২২ হাজার ভোটারসহ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের বসবাস। তিন নম্বর ওয়ার্ডেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ বসবাস করে বলে জানা গেছে। তবে ক্যাটাগরির দিক দিয়ে মির্জাপুর পৌরসভা ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হলেও সেবা বাড়েনি বলে অভিযোগ পৌরবাসীদের।

jagonews24

মির্জাপুর বাজারের মেইন রোড, থানা রোড, বাওয়ার কুমারজানি রোড, বংশাই রোড ও কলেজ রোডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা থাকলেও পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ড্রেনের দুর্গন্ধযুক্ত পানি রাস্তায় জমে যায়। বংশাই রোডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় ওই সড়কের ৫০ গজ রাস্তায় হাঁটু পানি জমে। এতে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলরত হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলার সোহাগপাড়া গ্রামের জুলহাস শিখদার জানান, সোমবার দুপুরে মুষলধারে বৃষ্টি হয়। এতে হাসপাতাল রোডে পানি জমে চলাচল কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। রিকশা ছাড়া মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে হাসপাতালে রোগী আনা-নেয়া করতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

jagonews24

হাসপাতাল রোডের ব্যবসায়ী সরোযার হোসেন, মানিক, লিটন, রতন, মাসুদ মিয়া, সোহেল মিয়া ও রঞ্জন বনিক জানান, বৃষ্টি একটু বেশি হলে সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়।

হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক পবন কুমার জানান, হাসপাতাল রোডে ড্রেন না থাকায় বৃর্ষা মৌসুমে তাদের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান, সড়কটি পৌরসভার ভেতরে। সেজন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর রাস্তাটির ড্রেন নির্মাণ করতে পারবে না। সড়কটি অতি জনগুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ড্রেন নির্মাণে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশে পৌরসভায় বিশেষ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

jagonews24

মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র সালমা আক্তার শিমুল বলেন, শুধু হাসপাতাল রোড নয়, পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে ড্রেন নির্মাণের জন্য প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলে ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। আর যেসব ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে, তা পরিষ্কারের কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

এস এম এরশাদ/এসআর/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।