শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুল

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
প্রকাশিত: ০৯:৩০ এএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

সকাল সকাল প্রস্তুতি নিয়ে স্কুলে যাওয়া। সহপাঠীদের সঙ্গে খেলাধুলা, আড্ডা আর গল্প। এসব যেন ভুলতেই বসেছিল শিক্ষার্থীরা। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ ছিল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর সবার পায়ের ছাপ পড়েছে সেই চেনা মাঠে। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শৈলজুড়ায় অবস্থিত প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুল।

স্কুলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের প্রবেশপথে টানানো হয়েছে করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার। শ্রেণিকক্ষের সামনে রাখা হয়েছে মাস্ক ও সতর্কতামূলক নির্দেশনা। হাত ধোয়ার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সাবান, পানি ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের।

jagonews24

শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতেই প্রথমে শরীরের তাপমাত্রা মেপে হাত ধুতে পাঠানো হচ্ছে।

এরপর তারা চলে যাচ্ছে নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে। শিক্ষার্থীদের হাসি, আনন্দ, আড্ডা, খেলাধুলা, ছুটোছুটিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে শিক্ষার্থীরা যেমন আনন্দে উদ্বেলিত, তেমনি উচ্ছ্বসিত শিক্ষকরাও।

দীর্ঘদিন পর স্কুল খোলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের জন্য উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন বিস্কুট, চিপস, চকলেট। উপহার পেয়ে মহাখুশি শিক্ষার্থীরা।

jagonews24

স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্র আরিফ আহমেদ আয়ান বলেন, ঘরে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে গেছিলাম। কখন আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবো সেই অপেক্ষা করছিলাম। এখন অনেক আনন্দে আছি। বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে পারছি। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যারের উপহার পেয়ে আমাদের আনন্দ বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এ বিষয়ে প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ মবিনুল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন পর শিক্ষার্থীদের কাছে পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত। বাচ্চারও খুব আনন্দ করছে। এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করছে। আমরা স্কুল সাজিয়েছি তাদের বরণ করে নিতে। শিক্ষার্থীরা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাণ। আগের মতো শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে স্কুলটি।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দেখতে পারা আমাদের জন্য এক অন্যরকম আনন্দ। সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের স্কুলে বরণ করেছি। আমাদের স্কুলে ৪৭৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ২৫ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা তাদের পড়াচ্ছেন।

কামরুজ্জামান আল রিয়াদ/এমএইচআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]