চাঁদপুরে ট্রলারের ওপরে উঠে গেলো লঞ্চ, একজন নিখোঁজ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি চাঁদপুর
প্রকাশিত: ০৫:১৫ পিএম, ০৫ নভেম্বর ২০২১

চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনা বড়স্টেশন মোলহেডে মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে এমবি লামিয়া লঞ্চের ধাক্কায় একটি যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রলারে থাকা নয়জন যাত্রীর মধ্যে আট যাত্রী সাঁতার কেটে তীরে আসতে সক্ষম হলেও নাছিমা বেগম (৩৫) নামের একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত কয়েকজন চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ নাছিমা শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার উত্তর তারাবুনিয়া গ্রামের সালেহ আহমদের স্ত্রী। তাকে উদ্ধারে কোস্টগার্ডের ডুবুরিদল নদীতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

Troller-(1).jpg

সংঘর্ষের পর লঞ্চটি দ্রুত ঢাকার উদ্দেশ্যে চলে যায়। পরে নৌপুলিশ লঞ্চটিকে মোহনপুর থেকে আটক করতে সক্ষম হয়। লঞ্চটি চাঁদপুরে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা কায়সারুল ইসলাম।

ঘটনার বিবরণে প্রত্যক্ষদর্শী নাজমুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শরীয়তপুর জেলার দক্ষিণ তারাবুনিয়া থেকে আমরা চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে আসি। আমি দুর্ঘটনার শিকার ওই ট্রলারের পেছনে একা ছিলাম। এমবি লামিয়া লঞ্চটি ট্রলারের ওপরে উঠে যায়।

Troller-(1).jpg

নিখোঁজ নাসিমা আক্তারের চাচাতো মেয়েজামাই জয়নাল আবেদিন বলেন, আমার ছেলের বৌভাতের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য তারা ট্রলারযোগে শরীয়তপুর থেকে চাঁদপুরে আসছিলেন। তারা পুরান বাজার থেকে এ পাড়ে আসছিলেন। এসময় এমবি লামিয়া লঞ্চটিও আসছিল। ট্রলারটি কচুরিপানায় আটকে যায়। এজন্য লঞ্চ থেকে বারবার হর্ন দেওয়া হলেও ট্রলারটি নিরাপদে সরানো সম্ভব হয়নি। এক পর্যায়ে লঞ্চটি ট্রলারের ওপরে উঠে যায়।

তিনি আরও বলেন, ‘ট্রলারে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের উদ্ধার করা হলেও নাছিমা আক্তার এখনো নিখোঁজ। আমরা এখনো তার অপেক্ষায় রয়েছি। আল্লাহই ভালো জানে তার কী হয়েছে?’

বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক কায়সারুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজ যাত্রী উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় নৌপুলিশের পক্ষ থেকে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

নজরুল ইসলাম আতিক/এসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।