বিজয়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন পরাজিত নৌকা প্রার্থী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর
প্রকাশিত: ১০:৪০ এএম, ১৩ নভেম্বর ২০২১

শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রার্থী আসমা আক্তার। শনিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আসমা আক্তার বলেন, ১১ নভেম্বর আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হাওলাদার (আনারস) ও তার সমর্থকরা অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ভোট কারচুপি করে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর নৌকার সমর্থকদের ঘরে ঘরে গিয়ে মারধরসহ ঘর, দোকান বন্ধ করে দেয় আনারস সমর্থকরা। অস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দিয়ে জঙ্গিবাদ শুরু করেছে এবং আমার লোকদের কাছে চাঁদা দাবি করছে তারা। কিন্তু পুলিশ কাউকে আটক করছে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের মাধ্যমে আমি দলীয় প্রতীক নৌকা পেয়েছি। প্রতীক পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্নমূলক পোস্ট দেয় আনোয়ারের লোকেরা। বোমা মেরে নৌকার ক্লাব ভাঙচুর, আমার সমর্থকদের মারধর, ঘর ভাঙচুর করে লুটপাট করে। এতে আমার অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়। আনোয়ার ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে মামলাও করেছি। কিন্তু মামলার আসামিরা নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশের সামনে দিব্বি ঘুরে বেড়ায়। পুলিশ কিছু বলেনি বরং উল্টো আমার লোকদের ধাওয়া করে।

তিনি আরও বলেন, আনারসের লোকেদের শটগান হাতে নিয়ে মহড়া দেয়ার সিসি ক্যামেরায় ভিডিও ভাইরাল হয়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলে, পুলিশ মামলা নেয়নি। নির্বাচনের দিন আনোয়ারের লোকজন অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে আমাদের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখায়। বেলা ১১টার পর পুলিশ নৌকার ব্যাচ পরা কাউকে দেখলেই কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে। এই নির্বাচন আমি মানি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সহযোগিতা চাই।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আক্তার হোসেন বলেন, আসমা যেই অভিযোগ আনছেন তার কোনো সত্যতা নেই। আমরা তার মামলা নিয়েছি। তিনি কোনো অভিযোগ করতে এলে অবশ্যই নেব।

ছগির হোসেন/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।