শরীয়তপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকদের নামে মামলা
শরীয়তপুর সদর উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনায় বিজয়ী মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা হয়েছে।
সোমবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে পালং মডেল থানায় পরাজিত প্রার্থীর ভাগিনা আহত মোফাজ্জল সরদার বাদী হয়ে ৪১ জনের নামে এ মামলা করেন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হলেন- ইউনিয়নের খিলগাঁও গ্রামের মৃত মান্নান খানের ছেলে ওবায়দুর রহমান খান (৪০), আলী হোসেন খানের ছেলে জসিম খান (৩৮) ও নুর মোহাম্মদ গাজীর ছেলে সুমন গাজী (৩৫)।
এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মতিন ছৈয়াল বলেন, আমার লোকদের ওপর হামলা চালিয়েছে আলী আজগরের লোকজন। আমার বেশ কয়েকজন সমর্থক আহত হয়েছেন। আমার ভাগিনা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে।
এদিকে বিজয়ী প্রার্থী আলী আজগর খান বলেন, আমি জয়ী হয়ে এলাকার লোকদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মতিন ছৈয়াল লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এখন আবার আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তারা।
শরীয়তপুর সদর পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আক্তার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, রোববার দুপুরে বিজয়ী আলী আজগর খান ও পরাজিত আব্দুল মতিন ছৈয়াল প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরাজিত সমর্থকদের পক্ষে মোফাজ্জেল সরদার নামে এক ব্যক্তি থানায় মামলা করতে এলে আমরা তার মামলা নেই। তবে বিজয়ী প্রার্থী পক্ষ থেকে কেউ থানায় মামলা বা অভিযোগ দিতে আসেননি। মামলায় যাদের নাম দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই ওই সংঘর্ষের সময় ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
১১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে মোরগ প্রতীক নিয়ে আলী আজগর খান ও তালা প্রতীক নিয়ে আব্দুল মতিন ছৈয়াল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে বিজয়ী হন আলী আজগর খান। জয়-পরাজয় নিয়ে রোববার উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
মো. ছগির হোসেন/এসজে/এমএস