ধর্ষণ থেকে রক্ষা পাওয়া ভারসাম্যহীন নারীকে নিয়ে বিপাকে পুলিশ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শেরপুর
প্রকাশিত: ০১:১৯ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

রোববার (৫ ডিসেম্বর) রাত ১১টার সময় শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদেরকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কিন্তু পরিচয়হীন ওই নারীর সঙ্গে আসলে কী হয়েছিলো তার সঠিক কোনো তথ্যই পাচ্ছে না পুলিশ। কোনো তথ্য দিতে পারছে না, বক্তব্য রেকর্ড করতে তার কাছে কাউকে যেতেও দিচ্ছে না সে। তাকে ধরে রাখাটাও পুলিশের পক্ষ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। রাজি না হওয়ায়, করা যাচ্ছে না ডাক্তারি পরীক্ষাও। থানায় কোনো কক্ষে তাকে আটকে রাখাও সম্ভব হচ্ছে না। এখন ওই নারীকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ।

তবে পুলিশের ধারণা, ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়তো সম্ভব হয়নি। তাকে ধর্ষণের আগেই তার চিৎকারে জনতা এসে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। ধর্ষণের স্বপক্ষে কেউ পুলিশকে সাক্ষীও দিচ্ছে না। ধর্ষণের কোনো আলামতও পাচ্ছে না পুলিশ।

এমন তথ্যই জানিয়েছেন শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহাম্মেদ।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে অজ্ঞাত এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুর নন্দীর বাজারে ঘোরাফেরা করছিলো। রোববার রাত ১১টার সময় ওই নারীকে জোরপূর্বক ধরে মোকসেদপুর খোলা মাঠে নিয়ে যায় চরমুচারিয়া ইউনিয়নের মাছপাড়ার দুলাল মিয়ার ছেলে হকার ফকির, পুরান পাড়ার আলম, নন্দীর পাড়ার জুয়েল ফকির ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বরাটিয়ার ফেকা মিয়ার ছেলে আচার বিক্রেতা হামেদ। এসময় ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ফকির ও হামেদকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পালিয়ে যায় আরও দুই বখাটে।

ইমরান হাসান রাব্বী/এফএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]