গ্রেফতার এড়াতে ছদ্মনামে ১১ বছর পালিয়েছিলেন ফাঁসির আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল
প্রকাশিত: ০৭:২০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১

বরিশালের ব্যবসায়ী সুলতান বাদশা (৫০) হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আনোয়ার হোসেনকে (৪২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেফতার এড়াতে ১১ বছর দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। পরিচয় গোপন করতে তিনি আনোয়ার হোসেনের বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে আনোয়ার হোসেনকে বরিশাল কারাগারে পাঠানো হয়।

আনোয়ার হোসেন বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের লামছড়ি এলাকার মৃত আব্দুল কাদের খানের ছেলে।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল জাগো নিউজকে বলেন, ২০১০ সালের ২ জুন চরবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী সুলতান বাদশাকে নগরীর পোর্ট রোড থেকে অপহরণ করা হয়। তিনদিন পর ৫ জুন ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে চরবাড়িয়া এলাকায় কীর্তনখোলা নদীর নুতনচরে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় মামলা হয়। ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর বরিশালের আদালত সুলতান বাদশা হত্যা মামলায় ছয় আসামির মধ্যে আনোয়ার হোসেন, মো. বশির ও মো. ইউনুসকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং বাকি তিনজনকে খালাস দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. ইউনুস উপস্থিত থাকলেও আনোয়ার হোসেন ও মো. বশির পলাতক ছিলেন।

ওসি আব্দুর রহমান মুকুল আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর ১১ বছর আনোয়ার হোসেন দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। আনোয়ার ছদ্মনামে চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটিসহ বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন। সর্বশেষ এক বছর আগে শরিফুল নাম ধারণ করে আনোয়ার হোসেন সাভারের আশুলিয়া এলাকায় একটি ফার্নিচারের দোকানে বার্নিশ মিস্ত্রির কাজ করে আসছিলেন। গোপন সূত্রে তার অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে তাকে গ্রেফতার করে কাউনিয়া থানা পুলিশ। সোমবার সকালে তাকে বরিশালে নিয়ে আসা হয়। বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাইফ আমীন/এসজে/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - jago[email protected]