ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ: নোয়াখালীতে রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৫:০৬ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে তিনদিনের অতিবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় নোয়াখালীর উপকূল তীরবর্তী কয়েক উপজেলার রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্যমতে ১২ হাজার ২৪১ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে জাগো নিউজকে এতথ্য জানান নোয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অসিত রঞ্জন।

jagonews24

তিনি বলেন, ৭৫ ভাগ রোপা আমন আগেই উঠে গেছে। বাকি ২৫ ভাগের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকে পাকা ধান কেটে মাঠে রেখেছেন। আবার অনেকের পাকা ধান বাতাসে হেলে পড়ে পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এরমধ্যে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া, উপকূলীয় উপজেলা সুবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জের কৃষকদের বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জের চরহাজারী ইউনিয়নের কৃষক আবদুল বাতেন জাগো নিউজকে বলেন, তার সাড়ে চার একর জমির রোপা আমনের পাকা ধান কেটে জমিতে রেখেছিলেন। কয়েকদিনের অতিবৃষ্টিতে তা পানিতে তলিয়ে আছে। এতে করে অর্ধেক ধানও পাবেন কি-না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

jagonews24

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সেলিম হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, হাতিয়ার সঙ্গে সারাদেশের নৌচলাচল এখনও বন্ধ আছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। পানি নেমে গেলে ক্ষতির তালিকা তৈরি করা হবে।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, জেলায় এবার মোট এক লাখ ৬৩ হাজার ২১৯ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চাইতে পাঁচ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে উৎপাদন হয়েছে। ফলনের পরিমাণও অত্যন্ত ভালো হয়েছিল।

ইকবাল হোসেন মজনু/এসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]