দুপচাঁচিয়ার সব ইউপিতে নৌকার ভরাডুবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৫:৩৯ পিএম, ০৬ জানুয়ারি ২০২২
ফাইল ছবি

পঞ্চম ধাপে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার পাঁচ ইউপির সবকটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। পাঁচটির তিনটিতে দ্বিতীয় হলেও ভোটের ব্যবধানে অনেক পিছিয়ে ছিল নৌকার প্রার্থীরা। সবচেয়ে বেশি ব্যবধান ছিল গুনাহার ইউপিতে।

গুনাহার ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতের উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য নূর মোহাম্মদের কাছে নৌকার প্রার্থী শাহ আব্দুল খালেক ১১ হাজার ৯৯৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এছাড়াও জিয়ানগর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি সমর্থক আনোয়ার হোসেনের কাছে নৌকার প্রার্থী কামরুজ্জামান এক হাজার ৫১৭, চামরুল ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির সদস্য শাহজাহান আলীর কাছে নৌকার আজমল হোসেন সাত হাজার ৬৬৩, সদর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির নেতা মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে নৌকার আব্দুল বাকের সেন্টু তিন হাজার ৯৫৭ ও গোবিন্দপুর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন মল্লিকের কাছে নৌকার প্রার্থী আব্দুর রশিদ মঞ্জু ছয় হাজার ২২৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।

সব ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বড় ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, প্রার্থী বাছায়ে ভুল, দলীয় কোন্দল, প্রতিপক্ষের কালো টাকা, দলীয় নেতাদের গাছাড়া ভাব নৌকা প্রার্থীদের ভরাডুরি মূল কারণ। তবে এ বিষয়ে কেউ প্রকাশে মুখ খুলছে না।

গুনাহার ইউপির নৌকার প্রার্থী শাহ আব্দুল খালেক ভরাডুবি প্রসঙ্গে বলেন, দলীয় নেতারা জামায়াতের পক্ষে কাজ করায় পরাজয় হয়েছে।

জিয়ানগর ইউপির নৌকার প্রার্থী কামরুজ্জামান রিপন বলেন, ইউপি কমিটির সভাপতিসহ বেশিরভাগ নেতাকর্মী নৌকার পক্ষে কাজ করেনি। বিষয়টি উপজেলা ও জেলা কমিটিকে জানালেও কোনো লাভ হয়নি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক জানান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মেম্বার প্রার্থী হওয়ায় তাদের পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা বেশি সময় দিয়েছেন। এটিই চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পরাজয়ে মূল কারণ।

এএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।