আলোকিত পাঠাগারের উদ্যোগে কম্বল পেল দুই শতাধিক দুস্থ শিশু

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০২২

তেমন কোনো আয়োজন নেই, শুধু একটি ব্যানারে লেখা ‘প্রতিটি প্রাণে উষ্ণতা ছড়াক’। এমন স্লোগানে রোববার সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৮নং কুশাখালী ইউনিয়নে অবস্থিত আলোকিত পাঠাগারের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

প্রায় দুই শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীকে কম্বল দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে কম্বল দিয়ে সহযোগিতা করেন গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়।

jagonews24

এসময় কুশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন মানিক উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে কম্বল তুলে দেন। আরও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সফি উল্লাহ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন মানিক বলেন, রামগতি থেকে নদী ভাঙনের ফলে বাস্তুহারা পরিবারগুলো কুশাখালী ইউনিয়নে আশ্রিত। তাদের জন্য আলোকিত পাঠাগারের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

এমন পরিবারের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য আরিফ চৌধুরী শুভর উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। তার স্কুল ও পাঠাগার এই ইউনিয়নের শিক্ষার্থীদের জন্য, মানুষের জন্য মঙ্গলজনক বলে আমি মনে করি। আমার পরিষদ এই ইউনিয়নের এই দুটি প্রতিষ্ঠানের পাশে সবসময় থাকবে।

আলোকিত পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আরিফ চৌধুরী শুভ বলেন, গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত বই পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে আলোকিত পাঠাগার এবং রামগতির নদী ভাঙন পরিবারের সন্তানদের বিনামূল্যে পড়াশোনার জন্য আলোকিত স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

jagonews24

যখনই সুযোগ হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো মেঠোপথের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মহৎ হৃদয়ের মানুষেরা আলোকিত পাঠাগারকে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন বলে এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে।

আশাকরি তাদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। কম্বল দেওয়ার জন্য আলোকিত পাঠাগার পরিবার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল ও গণ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

২০১৫ সালে আলোকিত পাঠাগার এবং ২০১৩ সালে আলোকিত স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে আলোকিত স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেড় শতাধিক। শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পড়াশুনা করছে প্রতিষ্ঠানটিতে।

এমআরএম/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]