ভোটারদের বাড়ি গিয়ে চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা, পেলেন টাকা-ফুলের মালা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৫:৪০ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২২
ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ হারুন অর রশীদের গলায় পরিয়ে দেওয়া টাকা ও ফুলের মালা

‘মালা মালা মালা রে কি সুন্দর মালা রে। গ্রামবাসীদের বলে যাই চেয়ারম্যানের জন্য মালা চাই। মালা মালা মালা রে চেয়ারম্যানের গলায় মালা রে। গ্রামবাসীদের বলে যাই চেয়ারম্যানের জন্য দোয়া চাই।’

বিজয়ী ইউপি চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছায় এমন সব স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে ইউনিয়নের মাইচপাড়া (আড়পাড়া) গ্রামে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যান নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শরীফ হারুন অর রশীদ। এ সময় তার গলায় কেউ ফুলের মালা, কেউ কাগজের রঙিন মালা, আবার কেউ টাকার মালাও পরিয়ে দেন। এ সময় বিজয়ী ইউপি সদস্যের গলায়ও ফুলের মালা পরিয়ে দেওয়া হয়।

মাইচপাড়া গ্রামের রিজাউল করিমের স্ত্রী রুবিয়া বেগম ও সিদ্দিক শেখের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম টাকা ও ফুলের মালা গলায় পরিয়ে আগত নতুন চেয়ারম্যানকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় চেয়ারম্যানের সফর সঙ্গী ও উপস্থিত সবার নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা।

farid2

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বানা ইউনিয়ন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন শরীফ হারুন অর রশীদ। ভোটে বাঘা বাঘা প্রার্থীদের টপকে বিজয়ী হন তিনি। বিজয়ী হওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাত করছেন এবং সবার কাছে দোয়া চাইছেন নবনির্বাচিত এ চেয়ারম্যান।

এ বিষয়ে বানা ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ হারুন অর রশীদ জাগো নিউজকে বলেন, দীর্ঘদিন আমি ও আমার পরিবার ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছি। বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি সুখে দুঃখে পাশে ছিলাম এবং আছি। এবারের নির্বাচনে ইউনিয়নবাসী দলমত ভুলে আমাকে ভালোবেসে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। আমি আজীবন ইউনিয়নবাসীর খেদমত করবো ও পাশে থাকবো। এ লক্ষ্য নিয়েই মানুষের দোয়া কামনা করছি।

এন কে বি নয়ন/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।