এসআইয়ের বিরুদ্ধে জব্দ মোবাইল-টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশিত: ১০:৫৬ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২২
সবার বামে এসআই মো. ইসমাইল ও তার ডানে মোবাইলসহ আটক চারজন 

চোরাচালানিদের কাছ থেকে জব্দ করা ৩৩টি মোবাইল ও দেড় লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইসমাইলের বিরুদ্ধে। তবে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নাটাল মোড় এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মোবাইল ও টাকাসহ চার আসামিকে আটক করেন ভৈরব থানার এসআই মো. ইসমাইল।
পরে তাদের থানায় নিয়ে যান।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করে। মামলার এজাহারে ২২৪টি মোবাইল ফোন জব্দ দেখালেও টাকার কথা উল্লেখ করা হয়নি।

আসামিদের স্বজনদের অভিযোগ, তাদের কাছে মোট মোবাইল ছিল ২৫৭টি এবং টাকা ছিল দেড় লাখ। এসআই ইসমাইল ৩৩টি বিদেশি মোবাইলসহ দেড় লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার এসআই ইসমাইল বলেন, আমি গণনায় ২২৪টি বিদেশি মোবাইল পেয়েছি। বাকি ৩৩টি মোবাইলের কথা আমার জানা নেই।

টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু টাকা পেয়েছি যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছি।

কত টাকা জানতে চাইলে এসআই ইসমাইল বলেন, ‘আইওর (তদন্ত কর্মকর্তা) সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানতে পারবেন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগটি মিথ্যা ও বানোয়াট।’

তবে জব্দ ২২৪টি মোবাইল ও ৯৬ হাজার টাকা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মো. গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, দেড় লাখ টাকা উদ্ধারের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে ৯৬ হাজার টাকা তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জমা আছে।

ওসি আরও বলেন, ‘অনেক সময় ঘটনার সব খবর আমি নিতে পারি না। কোনো কোনো ঘটনায় এজাহারে টাকা উল্লেখ করা যায় না। কারও ব্যক্তিগত টাকা থাকলে তা এজাহারে উল্লেখ করা হয় না। টাকার পরিমাণ ৫৪ হাজার কম হয়েছে, যা আসামিদের দাবি। বিষয়টির খোঁজ নেওয়া হবে।’

এসজে/এমআরআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]