প্রকৌশলীর বাড়ি থেকে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ০৪:৪৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০২২
ডাকাতির পর এলোমেলো ঘরের মালামাল

সাতক্ষীরা শহরের অদূরে লাবসা দরগাপাড়া এলাকায় কাজী আব্দুর রাশীদ নামের এক প্রকৌশলীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ৮০ হাজার টাকা ও একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। এসময় ডাকাতদের অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত হয়েছেন ওই প্রকৌশলীর মা।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

বাড়ির মালিক প্রকৌশলী কাজী আব্দুর রাশীদের ভাষ্যমতে, ভোর ৪টার দিকে ৬ থেকে ৭ জন ডাকাত জানালার গ্রিল ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন। প্রথমে তারা তার বৃদ্ধা মা রাহেলা বেগমকে রামদা দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি মারাত্মক জখম হন। পরে সবাইকে বেঁধে ফেলে ডাকাতদল। পরে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করেন তারা।

প্রকৌশলী কাজী আব্দুর রাশীদ বলেন, ডাকাতদের বয়স আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ বছর হবে। তাদের মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। তারা যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে বলে গেছেন, কাউকে বললে পরবর্তীতে ছেলেমেয়েদের অপহরণ করা হবে।

jagonews24

প্রকৌশলীর একমাত্র মেয়ে শাম্মা বিনতে রাশীদ (৩০) যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। তিনি বলেন, ২৫ দিন আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন। তার নিজের এবং মা ও চাচির যত গহনা ছিল সব ডাকাতরা লুট করে নিয়ে গেছেন। আলমারিতে যত গহনা ও টাকা ছিল তাও নিয়ে গেছেন। সমস্ত বাড়ি তারা তছনছ করেছেন।ডাকাতরা সবাই যুবক ছিলেন বলেও জানান তিনি।

প্রকৌশলী কাজী আব্দুর রাশীদের স্ত্রী শাকিলা হোসেন (৫২) বলেন, ‘বাড়িতে আমরা আটজন ছিলাম। তারা আমাদের সবার হাত বেঁধে ফেলে। তাদের হাতে রামদা, শাবলসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা, একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা লুট করে নিয়ে গেছে তারা। যাওয়ার সময় মোবাইলগুলো ঘরের ভেতরে ফেলে গেছে।’

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাড়ির মালিক এ ঘটনায় একটি অভিযোগ করেছেন। মনে হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত ডাকাতির ঘটনা। ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

আহসানুর রহমান রাজীব/এসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]