বাদামের খোসায় সরস্বতী পূজার মণ্ডপ-প্রতিমা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৯:১৭ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
মুন্সিগঞ্জের নয়াপাড়ায় বাদামের খোসা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ ও প্রতিমা

মুন্সিগঞ্জের নয়াপাড়ায় বাদামের খোসা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ ও প্রতিমা। নয়াপাড়া নবীন সংঘের সদস্যরা দৃষ্টিনন্দন এ আয়োজন করেছেন। ব্যতিক্রমী এ আয়োজন দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে মণ্ডপ, প্রতিমা সবকিছুই তৈরি করা হয়েছে বাদামের খোসা দিয়ে। ককশিটের ওপর ধাপে ধাপে বাদামের খোসা লাগিয়ে এগুলো তৈরি করা হয়েছে। তবে কোনো পেশাদার শিল্পী দিয়ে নয়, সবকিছুই তৈরি করেছেন আয়োজক সংঘের সদস্যরা। মণ্ডপের উচ্চতা ১৪ ফুট আর প্রতিমার দৈর্ঘ্য ৬ ফুট।

এ বিষয়ে নয়াপড়া নবীন সংঘের সাধারণ সম্পাদক কাজল চন্দ্র দাস জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের এখানে যারা আসেন আমরা তাদের ব্যতিক্রম কিছু দেখানোর চেষ্টা করি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আমরা বাদামের খোসা দিয়ে মণ্ডপ, প্রতিমা তৈরি করেছি। সবাই এটিকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। অনেকে দেখতে আসছেন।

বাদামের খোসায় সরস্বতী পূজার মণ্ডপ-প্রতিমা

তিনি আরও জানান, মণ্ডপের কাজ শেষ করতে একমাস একদিন সময় লেগেছে। আর খরচ হয়েছে দেড় লাখ টাকা। বাদামের খোসা লাগানো ও অন্যান্য কাজ সংঘের সদস্যরাই করেছেন।

বাদামের খোসায় সরস্বতী পূজার মণ্ডপ-প্রতিমা

সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক লোকনাথ দাস হৃদয় জাগো নিউজকে বলেন, ‘এর আগে ধান ও চাল দিয়ে মণ্ডপ তৈরি করেছিলাম। এবছর আমাদের সংঘ থেকে পূজা উদযাপনের একযুগ পূর্তি হলো। এজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিই এবারও ব্যতিক্রম কিছু করবো। পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বাদাম দিয়ে মণ্ডপ, গেট ও প্রতিমা তৈরি করা হবে।’

বাদামের খোসায় সরস্বতী পূজার মণ্ডপ-প্রতিমা

মণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরি করতে প্রায় দুই মণ বাদাম লেগেছে। স্থানীয় বিভিন্ন বাজার থেকে বাদাম সংগ্রহ করা হয়েছে। মণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয় গত ডিসেম্বরে।

প্রতিদিন সংঘের ১৫-২০ জন সদস্য সময় দিয়েছেন। আগামীতেও অন্য কোনো ফসল দিয়ে মণ্ডপ তৈরির কথা জানিয়েছেন সংঘের সদস্যরা।

আরাফাত রায়হান সাকিব/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।