শ্রমিককে মারধর: বেনাপোলে ৪ ঘণ্টা লোড আনলোড বন্ধ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশিত: ০২:০২ পিএম, ১৩ মার্চ ২০২২

চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর বেনাপোল বন্দরে লোড আনলোড সচল করেছেন বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা। সকাল থেকে বন্দর এলাকায় শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক বেনাপোল বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি: নং-৯৯১) সাজেল নামে এক সর্দারকে মারপিটের অভিযোগে রোববার সকাল ৮টা থেকে বেনাপোল বন্দরে লোড আনলোডসহ সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা। এ ঘটনায় বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে দুপুর ১২টা থেকে কাজে যোগ দেন শ্রমিকরা।

বেনাপোল বন্দরের হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু আহম্মেদ জানান, সাজেল নামে আমাদের এক সর্দার শুক্রবার রাতে পুটখালী ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারে চায়ের দোকানে বসেছিল। এসময় পুটখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবদুল গফফারের ছেলে ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন পাশের হাটখোলা বাজারে সাজেলকে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে আহত করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিকরা সকাল ৮টা থেকে বন্দরে লোড আনলোড কার্যক্রম বন্ধ রাখেন। এ ঘটনায় পোর্ট থানার ওসি সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে দুপুর ১২টার দিকে কাজে যোগ দেন তারা।

বেনাপোল পুটখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল গফ্ফার বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে সাজেল আমার ছেলেকে মারপিট করে আহত করে। এরই জের ধরে শুক্রবার রাতে আমার ছেলে সাজেলকে বাজারে ডেকে চড় থাপ্পড় ও কিলঘুসি মারে। পরে আলোচনা করে বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখেছেন।

বেনাপোল পোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম রসুল জানান, সাজেলকে গফ্ফার চেয়ারম্যানের লোকজন মারপিট করায় বন্দরে হ্যান্ডলিং শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে রেখেছিলেন। এ ব্যাপারে শ্রমিকদের সঙ্গে ওসির আলোচনা হয়েছে। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এই আশ্বাসের পর শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

জামাল হোসেন/এফএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।