ঋণগ্রস্ত হয়ে যুবকের কীটনাশকপান, হাসপাতালে মৃত্যু
বাগেরহাটের শরণখোলায় চিরকুট লিখে কীটনাশকপান করেন মো. আব্দুল্লাহ (৩৩) এক ব্যবসায়ী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
সোমবার (১৪ মার্চ) সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। মৃত আব্দুল্লাহ নলবুনিয়া গ্রামের আব্দুল হাসেম পেয়াদার ছেলে। তিনি নলবুনিয়া বাজারের একজন ফাস্টফুড ব্যবসায়ী ছিলেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন তালুকদার জাগো নিউজকে বলেন, আব্দুল্লাহ ঋণগ্রস্ত হয়ে হতাশায় ভুগছিল। রোববার দিনগত রাত ১টার দিকে ফাস্টফুডের দোকান বন্ধ করে বাড়ি গিয়ে একটি চিরকুট লিখেন। এতে তিনি লিখেন, আমি মো. আব্দুল্লাহ। আমি মারা গেলে আপনাদের কাছে আবেদন, আমার জমিজমা বিক্রি করে সবার দেনা শোধ করে দিবেন। এরপর যে জমি থাকবে তা আমার স্ত্রী ও মেয়ের নামে থাকবে। তাদের কোথাও তাড়াবেন না। আমার সম্পত্তি ভাই-বোনদের দিবেন না। এটা আমার দাবি। সবাই স্বার্থপর শুধু আমি নয়।
ইউপি সদস্য আরও বলেন, এরপর আব্দুল্লাহ স্ত্রীকে ‘আমি চলে যাচ্ছি মেয়েকে দেখে রাখিস’ বলে কীটনাশকপান করেন । এ সময় তার স্ত্রীর ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে আব্দুল্লাহকে শরণখোলা উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এছাড়া কোনো পাওনাদার কিংবা অন্য কেউ তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এসজে/এএসএম