কয়েলের আগুনে পুড়লো ৩ গরু, ২ ছাগল
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে কয়েলের আগুন ছড়িয়ে পড়ে এক কৃষকের দুটি বসতঘরসহ আসবাবপত্র ও গোয়ালঘর পুড়ে গেছে। একইসঙ্গে তার গোয়াল ঘরে থাকা তিনটি গরু, দুটি ছাগল এবং খোঁয়াড়ে থাকা ২০টি হাঁস-মুরগিও পুড়ে মারা যায়।
রোববার (২০ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের চর পাত্রখাতা এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের মতো রোববার আব্দুস সামাদের পরিবার গোয়ালঘরে কয়েল জ্বালিয়ে দিয়ে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। গভীর রাতে গোয়াল ঘরে আগুনের লেলিহান দেখে দেখে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে সামাদের পরিবার।

গোয়ালঘরের আগুন পার্শ্ববর্তী দুটি বসতঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এলাকায় প্রবেশ করতে না পারায় ফিরে যায়। পরে এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন দীর্ঘসময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভায়। তবে এরআগেই আগুনে পুড়ে গোয়াল ঘরে থাকা একটি গাভী, একটি বকনা, একটি ষাঁড়, দুটি ছাগল ও ২০টি হাঁস-মুরগি মারা যায়। এছাড়া দুটি বসতঘরসহ আসবাবপত্রও পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
প্রতিবেশী শাহজামাল জানান, আব্দুস সামাদের বাড়িতে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় গাড়ি প্রবেশ করতে না পারায় গাড়ি ফিরে যায়। পরে এলাকাবাসী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভায়।
চিলমারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন ইনচার্জ খোবরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেওয়া হয়। কিন্তু এলাকায় প্রবেশের রাস্তা অনুপযোগী হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশ করতে না পেরে ফিরে আসে। পরে এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মনছুর আলী জাগো নিউজকে বলেন, আব্দুস সামাদ পেশায় একজন কৃষক। কয়েলের আগুন থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে তার গবাদিপশুসহ প্রায় সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে তার ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। এ বিষয়ে আবেদন করলে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করে সহায়তা দেওয়া হবে।
মাসুদ রানা/এসজে/এএসএম