অনুদান পেতে চিকিৎসা সনদ জালিয়াতি, সরকারি কর্মচারীর কারাদণ্ড

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি লক্ষ্মীপুর
প্রকাশিত: ০৭:৩৭ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০২২
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নুর হোসেন

লক্ষ্মীপুরে অনুদানের জন্য চিকিৎসা সনদ জালিয়াতির ঘটনায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. নুর হোসেনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত রায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নুর হোসেন সদর উপজেলা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি ও একই এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্তদের জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে অনুদান দেয় সরকার। এ অনুদান পাওয়ার জন্য নুর হোসেন আবেদন ফরম নেন। ওই ফরমে সই নেওয়ার জন্য তিনি সোমবার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবিরের সঙ্গে দেখা করেন।

এসময় চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সন্দেহ হলে সিভিল সার্জন নোয়াখালীর সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে ফোন করে বিষয়টি জানতে চান। সেখান থেকে নিশ্চিত করা হয়, ওই ক্রমিকের কাগজপত্রগুলো শাহাব উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির। পরে প্রতারণার বিষয়টি লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা সমাজসেবা বিভাগের উপ-পরিচালককে জানানো হয়।

এদিকে, জালিয়াতি প্রমাণ পাওয়ায় নুর হোসেনকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে যান। এসময় অপরাধ স্বীকার করায় নুর হোসেনকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

পুলিশ হেফাজতে নুর হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তার স্ত্রী অসুস্থ। ভাইও গাছ থেকে পড়ে অসুস্থ অবস্থায় ঘরে রয়েছে। তাদের চিকিৎসা চালাতে অনুদান পেতে মেডিকেল রিপোর্ট নকল করা হয়। তবে তিনি কাজটি ভুল করেছেন।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আহাম্মদ কবির বলেন, শাহাব উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির মেডিকেল রিপোর্টের নাম পাল্টিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট যাচাই-বাচাই করে প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়েছে।

কাজল কায়েস/এমআরআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।