২ যুগ পর অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক পেল মির্জাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশিত: ০৮:৫৩ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০২২
অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আলী

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠার দুই যুগেরও বেশি সময় পর অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক যোগদান করেছেন। গত ৭ এপ্রিল অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আলী মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন।

গত ২৬ বছর ধরে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় অন্যত্র থেকে ডাক্তার এনে কাজ চালানো হতো। এতে কর্তৃপক্ষকে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট খন্দকার বদর উদ্দিনের প্রচেষ্টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী এলাকায় প্রতিষ্ঠা হয় ৩১ বেডের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। প্রতিষ্ঠার পর মির্জাপুর উপজেলা ছাড়াও পাশের দেলদুয়ার, নাগরপুর, বাসাইল উপজেলার লোকজন এখানে সেবা নিতে আসেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক নিযুক্ত থাকলেও অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। হাসপাতালের সিজারিয়ান অপারেশন চালু রাখতে কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন স্থান থেকে অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক আনতে হতো। এতে প্রতি সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ৮০০ টাকা করে দিতে হতো। দীর্ঘ ২৬ বছর অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক মোহাম্মদ আলী যোগদান করেন। এরপর গত এক সপ্তাহে তিনি চারজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে অ্যানেস্থেসিয়া দেন এবং তাদের সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় নানা ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে গত ৭ এপ্রিল একজন অ্যানেস্থেসিয়া ডাক্তার এখানে যোগদান করেন।

এস এম এরশাদ/এমআরআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।