ঈদে পোলাও-মাংস খেলেন শরীয়তপুরের কারাবন্দিরা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শরীয়তপুর
প্রকাশিত: ০৪:০৬ পিএম, ০৩ মে ২০২২

পরিবার থেকে আসা শুকনা খাবার ও নতুন পোশাক পরে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করলেন শরীয়তপুরে কারাবন্দিরা। মঙ্গলবার (৩ মে) কারাবন্দিদের জন্য বিশেষ এ অনুমতি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

২০০ জন বন্দি ধারণক্ষমতার শরীয়তপুর জেলা কারাগারে বন্দি আছেন ১৮১ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১৭৩ জন ও নারী আটজন। বন্দিদের জন্য ঈদ উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারাগার সূত্র জানায়, কারাবন্দিরা কারাগারের ভেতরেই সবাই একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়েন। তাদের জন্য বিশেষ খাবারেরও ব্যবস্থা করা হয়।

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনদীপ ঘরাই ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত এনডিসি অভিজিৎ সূত্রধর কারাগার পরিদর্শন করেন।

শরীয়তপুর জেলা কারাগারের জেলার দিদারুল আলম বলেন, কারাবন্দিরাও যাতে হাসি-খুশিতে ঈদটা কাটাতে পারে আমরা সে চেষ্টা করি। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। চেষ্টা করছি তারা যেন ভালো একটি ঈদ উদযাপন করতে পারেন।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৮টায় কারাগারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তাদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাই নতুন জামা-কাপড় পরেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কারাবন্দিদের অনেকেই নতুন জামা পেয়েছেন।

ঈদের দিন সকালে পায়েশ, মুড়ি; দুপুরে পোলাও, গরুর মাংস, খাসির মাংস, সালাদ, ডিম, কোল্ড ড্রিংকস খেয়েছেন কারাবন্দিরা। রাতে থাকবে ভাত, আলুর দম, রুই মাছসহ বিভিন্ন খাবার।

জেলার দিদারুল আলম বলেন, ‘কারাবন্দি অনেকের পরিবার থেকে ঈদের দিন শুকনা খাবার ও নতুন পোশাক আসে। শুধু ঈদের দিন আমরা বিশেষ এ অনুমতি দেই।’

কারাগারে বাবা বাবুল খানকে দেখতে আসেন ছেলে আকাশ খান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার বাবা বাবুল খান দেড় বছর ধরে প্রথমে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ও পরে শরীয়তপুর জেলা কারাগারে বন্দি আছেন। একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত হয়ে সাজা ভোগ করছেন। আজ ঈদের দিন। তাই বাবার সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।’

ছগির হোসেন/এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।