যশোরে শত্রুতার জেরে ছুরিকাঘাত, বিএনপি নেতাসহ আটক ৩
যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারনে মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে মফিজুর রহমান (৪৮) নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শার্শা থানা বিএনপির আহ্বায়কসহ ৩ জনকে আটক করছে পুলিশ। আহত মফিজুর রহমান শার্শার দক্ষিণ বুরুজ বাগান গ্রামের মৃত গোলাম নবীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে শার্শার নাভারনের স্বর্ণপট্টিতে মফিজুর রহমান ব্যক্তিগত কাজে যান। এ সময় একই গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও বিএনপির তৃপ্তি গ্রুপের কর্মী মন্টু, রবি ও মাছুমসহ ৪-৫ জন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাসান জহির গ্রুপের মফিজুর রহমানের ওপর রামদা ও ধারালো ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করেন।
স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা (বুরুজবাগান) স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে আহত মফিজুর রহমানের অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনার জেরে সঙ্গে সঙ্গে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতে গ্রামের বিভিন্ন স্থানসহ হাসপাতালের সামনে ১০/১২টি বোমা বিস্ফোরণ হয়। ওই গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় শার্শা থানা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুজ্জামান মধু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আশরাফুল ইসলাম বাবু ও রবিউল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান জানান, বোমাবাজির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিএনপির তিন নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।
জামাল হোসেন/এফএ/এমএস