কলেজছাত্রীকে নিয়ে উধাও প্রভাষক, চাকরি থেকে বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ২০ জুন ২০২২
বরখাস্ত হওয়া মোকছেদুল হক ফারুক

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজপড়ুয়া ছাত্রীকে (১৮) নিয়ে উধাও হওয়া প্রভাষককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের সন্ধান মেলেনি।

সোমবার (২০ জুন) দুপুরে ধুনট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ বিকাশ চন্দ্র বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিধি মোতাবেক কলেজ পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রভাষক মোকছেদুল হক ফারুককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত মোকছেদুল হক ফারুক ওই প্রতিষ্ঠানের কারিগরি শাখার ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক ও উপজেলার কান্তনগর গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বনিবনা না হওয়ায় প্রায় ছয় বছর আগে স্ত্রীকে তালাক দেন মোকছেদুল হক ফারুক। তার ওই স্ত্রীর একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। কয়েকবছর ধরে তিনি কর্মস্থলের পাশে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন এবং ছাত্রছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ান। স্কুলে পড়া অবস্থায় ওই ছাত্রী ফারুকের কাছে প্রাইভেট পড়তেন। স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার পরও ওই ছাত্রীকে তিনি প্রাইভেট পড়াতেন।

এদিকে গত এক মাস আগে পারিবারিক সম্মতিতে উপজেলার বাকশাপাড়া গ্রামের এক ছেলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সে তার স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই থাকতো। গত শুক্রবার সকালে তার স্বামী বাড়ি চলে যায়। এ সুযোগে ওইদিন বিকেলেই কলেজশিক্ষক ফারুক ছাত্রীকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় খুঁজে না পেয়ে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে শুক্রবার রাতেই ধুনট থানায় একটি অভিযোগ দেন।

ওই অভিযোগে ছাত্রীর পরিবারের দাবি, বালিকা বিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় ফারুক ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন। প্রাইভেট পড়ানোর সুবাদে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রীকে নিয়ে উধাও হয়েছে ফারুক।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা জাগো নিউজকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে শিক্ষককে গ্রেফতার ও ছাত্রীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এসজে/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।