পটুয়াখালীতে শেষ হলো পদ্মা সেতু উৎসব

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ০৮:২০ এএম, ২৮ জুন ২০২২

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে শেষ হলো চারদিনের পদ্মা সেতু উৎসব। ২৪ জুন শুরু হওয়া এই উৎসবের পর্দা নামে সোমবার রাতে।

এই চার দিনের উৎসবে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ছিল পটুয়াখালীর স্থানীয় শিল্পী, কুয়াকাটার রাখাইন সম্প্রদায় এবং দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের নাচ ও গান। এছাড়া ২৪ ও ২৫ জুন আয়োজন করা হয় ফানুস উৎসব এবং জমকালো আতশবাজির।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন এবং পৌরসভার যৌথ আয়োজনে চার দিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

পটুয়াখালীতে শেষ হলো পদ্মা সেতু উৎসব

এদিকে উৎসবে ভিন্ন এক মাত্রা যোগ করে পদ্মা সেতুর রেপ্লিকা। শহরের সার্কিট হাউস পুকুরে তৈরি করা হয় ৩শ ফুট দৈর্ঘ্যের এই সেতু। সেতু দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ওই এলাকায় ভিড় জমায়।

পটুয়াখালী শহরের কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম বলেন, সরাসরি পদ্মা সেতু দেখার সুযোগ না হলেও, পদ্মা সেতুর আদলে নির্মাণ করা সেতুতে উঠে ছেলে মেয়েদের নিয়ে ছবি তুললাম। ভালোই লাগলো।

পটুয়াখালীতে শেষ হলো পদ্মা সেতু উৎসব

উৎসবের ২য় দিনে ছিল রাখাইন সম্প্রদায়ের তৈরি বিশাল আকৃতির ফানুস ওড়ানো। এছাড়া মধ্যরাতে আয়োজন করা হয় জমকালো আতশবাজির। উৎসবের ৩য় দিন স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি মঞ্চে গান পরিবেশন করেন বর্তমান প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী ‘দুষ্টু পোলাপান’ ক্ষ্যত ঐশি। তিনি একে একে তার জনপ্রিয় সব গান পরিবেশন করেন। গানের তালে তালে পুরো এলাকায় উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

উৎসব সম্পর্কে পটুয়াখালী পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এটা একটা মুক্তির উৎসব। দীর্ঘ দিনের প্রতিক্ষার অবসান ঘটলো। এখন সারা দেশের সঙ্গে পটুয়াখালীর নিরবিচ্ছিন্ন সড়ক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠিত হলো। আমাদের এই অর্জনকে আরও স্মরণীয় করে রাখতেই এই ধরনের আয়োজন।

আব্দুস সালাম আরিফ/এফএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]