দুইদিনেও সন্ধান মেলেনি মেঘনায় ডুবে যাওয়া বেকারি শ্রমিকের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ০৯:৪৬ পিএম, ২৪ জুলাই ২০২২
নিখোঁজ বেকারি শ্রমিক আরিয়ান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় মেঘনা নদীতে ডুবে নিখোঁজ আরিয়ান (১৯) নামে বেকারি শ্রমিককে দুইদিনেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। দুইদিন চেষ্টার পর রোববার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে।

এর আগে শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে আশুগঞ্জ বাজারে নদীর ঘাটে এই ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ শ্রমিক আরিয়ান স্থানীয় বাজারে আনন্দ বেকারি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ছিলেন। তিনি ঢাকার ডেমরা এলাকার মো. দারুল ইসলাম বাবলুর ছেলে।

আশুগঞ্জ দমকল বাহিনীর সাব অফিসার তমিজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, আশুগঞ্জ দমকল বাহিনীর কোনো ডুবুরি দল নেই। আমরা বিষয়টি কন্ট্রোল রুমে জানালে সেখান থেকে নির্দেশনা পেয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরব নৌ-দমকল বাহিনীর ডুবুরি দল শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চেষ্টার পর ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ স্থগিত করে। পুনরায় রোববার সকাল থেকে টানা সন্ধ্যা পর্যন্ত চেষ্টা করেও নিখোঁজ শ্রমিকের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ সমাপ্তি ঘোষণা করে।

তিনি বলেন, ছেলে নদীতে ডুবে নিখোঁজের খবর পেয়ে তার বাবা ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ এসেছেন। ডুবুরিদের উদ্ধার কাজ শেষ হলেও আমরা তার বাবাকে জানিয়েছি যদি আমাদের প্রয়োজন মনে করে তাহলে যে কোনো সময় আমরা প্রস্তুত আছি।

তমিজ উদ্দিন আরও বলেন, আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে তীব্র স্রোতে একটি স্থান দিয়ে মেঘনা নদীতে পানি নেমে আসে। শ্রমিক নিখোঁজের স্থানটি সেটির কাছাকাছি। ডুবুরিরা ধারণা করছে, সেই পানির তোড়ে অনেক দূর ভেসে যাওয়ায় তাকে সহজে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেকারি শ্রমিক আরিয়ান প্রতিদিনের মতো মেঘনা নদীতে বেকারির অন্যান্য স্টাফদের সঙ্গে গোসল করতে আসেন। সাতার না জানায় তিনি মগ নিয়ে ঘাটে বসে গোসল করছিলেন। এসময় হঠাৎ নদীর স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকেন তিনি। ওই সময় তার সঙ্গে থাকা সহকর্মীরা চেষ্টা করেও তলিয়ে যাওয়া থেকে তাকে ধরে রাখতে পারেননি। অবশেষে তাদের চোখের সামনে তিনি মেঘনা নদীতে তলিয়ে যান।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এমআরআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।