ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা
প্রকাশিত: ০২:২৫ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
এক লেনে গাড়ি চলায় যানজট দেখা দেয়

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে এ যানজট শুরু হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার গৌরীপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় মহাসড়কের সংস্কার কাজ চলছে। সংস্কার কাজ ২৪ ঘণ্টা চলমান থাকায় ঢাকামুখী লেনে গাড়ি চলাচল করতে পারছে। ফলে গাড়ির চাপ সৃষ্টি হলে মাধাইয়া এলাকা থেকে দাউদকান্দি টোলপ্লাজা পর্যন্ত থেমে থেমে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট দেখা দেয়। এতে চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে।

আবদুল মতিন ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি বলেন, ঢাকার উদ্দেশ্যে ভোর ৬টায় রওনা হন। ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা দাউদকান্দি এলাকায় যানজটে আটকে থাকতে হয়েছে। ঢাকায় পৌঁছাতে আমার সাত ঘণ্টা সময় লেগেছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

সিডিএম পরিবহন বাসের চালক বোরহান উদ্দিন বলেন, ঢাকা লেনে সিঙ্গেল করে পরিবহন চলাচলের কারণেই মূলত যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক বিভাগ যদি পূজা উপলক্ষে সংস্কার কাজে বিরতি দিতো তাহলে মানুষকে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণে একাধিক টিম কাজ করছে। গত দুদিন ধরে আমিও রাস্তায় আছি। চেষ্টা করছি যানজট নিরসনের।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

কুমিল্লার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা জাগো নিউজকে বলেন, মহাসড়কের দাউদকান্দির অংশে সংস্কার কাজ চলছে। পূজার কারণে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেশি। তাই যানজটে ভোগান্তি হচ্ছে। আমরা যানজটপ্রবণ এলাকায় মাইকিং করছি। অলটারনেটিভ হিসেবে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকা সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ করা হচ্ছে। আমরা জনগণের ভোগান্তি দূর করতে কাজ করছি। কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সবাইকে একটু ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানাচ্ছি। সংস্কার কাজ শেষ হতে আরও অন্তত পাঁচ-ছয় মাস সময় লাগতে পারে।

জাহিদ পাটোয়ারী/এসজে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।