সৌদিতে প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি লক্ষ্মীপুর
প্রকাশিত: ০৮:৪০ এএম, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

জীবিকার খোঁজে জমি বন্ধক রেখে সৌদি আরবে পাড়ি জমান লক্ষ্মীপুরের আবুল কাশেম (৩০)। সেখানে গিয়ে চাকরি পান একটি কৃষি খামারে। তবে তার মালিক ভালো মানুষ ছিলেন না। তিনি প্রায়ই কাশের ওপর নির্যাতন করতো। একপর্যায়ে তাকে হত্যা করে কর্মস্থলেই মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কাশেমের বাবা আলি হোসেন সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন।

এর আগে রোববার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে (সৌদি সময়) সৌদির তাইফ এলাকার একটি কৃষি খামার থেকে কাশেমের মরদেহ উদ্ধার করে সেখানকার পুলিশ। একইদিন নিহতের চাচাতো ভাই মানিক হোসেন তাইফ এলাকার থানায় কাশেমের মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে, মালিকের নাম বলতে পারেননি পরিবারের কেউ।

নিহত কাশেম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড মার্টিন গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় আড়াই মাস আগে চাকরির খোঁজে সৌদি যান তিনি। এর আগে দেশে তিনি কৃষি কাজ করতেন। সংসারে তার বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। তার শোকে বাবা-মা ও স্ত্রীসহ স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

নিহত কাশেমের বাবা কৃষক আলী হোসেন বলেন, ভালো একটি চাকরির উদ্দেশে জমি বন্ধক রেখে ৫ লাখ টাকা খরচ করে সৌদি যান কাশেম। সেখানে গিয়ে একটি কৃষি খামারে সে চাকরি পায়। চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মালিক তার ওপর অত্যাচার চালাতো। হঠাৎ কাশেমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের খবর আসে। কাশেমকে তার মালিক হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে। দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি ছেলে হত্যার বিচারের ব্যবস্থা করে দিতে অনুরোধ জানিয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান জাগো নিউজকে বলেন, সৌদিতে এক প্রবাসীর মৃত্যুর খবর শুনেছি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করবো। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে।

কাজল কায়েস/জেএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।