ইবি শিক্ষিকাকে হত্যা

বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে: আমির হামজা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ইবি
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। একইসঙ্গে তিনি দেশে চলমান বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধের আহ্বানও জানান।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাদ জোহর কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নিহত শিক্ষিকার জানাজা শেষে তিনি এ আহ্বানও করেন।

মুফতি আমির হামজা বলেন, আসমা ম্যাম আমার সরাসরি শিক্ষক না হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আমি তাকে শিক্ষক মনে করি। তার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আমরা শোকাহত ও নিস্তব্ধ। সরকারের কাছে আমার জোরালো আহ্বান—আগামীতে দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। নয়তো আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হয়েছে, কাল তা সরকারি কলেজে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, অপরাধীদের শতভাগ শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্রের প্রচলিত নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করুন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা আমাদের আবারও দেখতে হবে।

এদিন বাদ জোহর কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় গোরস্তানে মরহুমার দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ (বুধবার) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে আসমা সাদিয়ার নিজ কক্ষে এই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই কক্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকেও আত্মহননের চেষ্টায় রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইরফান উল্লাহ/কেএইচকে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।