‘স্বপ্নে নির্দেশনা পেয়ে’ ইতেকাফরত যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৮:২৯ এএম, ২১ এপ্রিল ২০২৩

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্বপ্নে নির্দেশনা পেয়ে ছুরিকাঘাতে ইতেকাফরত মাইনুদ্দিন (১৯) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকালে বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চাঁনপুর বায়তুল আমান জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে হত্যাকারীর সহযোগী ইতেকাফকারী মাহিম কাজীকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহত মাইনুদ্দিন বন্দরের কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকার মৃত হাবিবুল্লাহ মিয়ার ছেলে।

এর আগে এ হত্যাকাণ্ডে নিহত মাইনুদ্দিনের বোন বাদী হয়ে মাহিমকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় গ্রেফতারের পর মাহিম পুলিশকে জানান, মাইনুদ্দিন পবিত্র কোরআনের বিরুদ্ধাচরণ করেন। তাই তাকে খুন করতে হবে। স্বপ্নে এমন নির্দেশনা পেয়ে মাহিম হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন।

তবে মসজিদে ইতেকাফরত মুসল্লিরা জানান, ইতেকাফে বসার স্থান নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় মাহিন ও মাইনুদ্দিনের। এ নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন মাহিম। মসজিদের ভেতরেই তাদের তর্ক হয়। বৃহস্পতিবার সেহেরির পর ফজরের নামাজ পড়ে সবাই ঘুমাতে গেলে মাহিম ফল কাটার ছুরি নিয়ে মইনুদ্দিনকে কুপিয়ে পালিয়ে যান। তার চিৎকারে আশপাশের মুসল্লিরা উদ্ধার করে প্রথমে ভিক্টোরিয়া ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাইনুদ্দিন।

বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবু বক্কর ছিদ্দিক জাগো নিউজকে বলেন, ২০ রমজান চাঁনপুর এলাকার মাইনুদ্দিন ও মাহিম কাজীসহ চার যুবক বায়তুল আমান জামে মসজিদে ইতিকাফে বসেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে চারজনের মধ্যে একজন মসজিদের ছাদে যান। মসজিদের ভেতরে মাহিম কাজী অবস্থান করছিলেন ও মাইনুদ্দিনসহ অপর দুজন ঘুমিয়েছিলেন। এ সুযোগে মাহিম ধারালো ছুরি দিয়ে মাইনুদ্দিনকে আঘাত করেন। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে মারা যান। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসজে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।