ইলিশ শূন্য বাজার, বেড়েছে অন্য মাছের বেচাকেনা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বরিশাল
প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০২৩

নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ায় বরিশালের পাইকারি মাছ বাজারগুলোতে দেখা মেলেনি ইলিশের। তবে বাজারে ইলিশ থাকায় আগের চেয়ে বেড়েছে অন্য মাছের বেচাকেনা।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) সকালে নগরীর পোর্টরোড বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে ইলিশের কোনো সরবরাহ নেই। ব্যবসায়ীরা সাগর ও নদীর বিভিন্ন প্রকার মাছ বিক্রি করছেন। ইলিশ না থাকায় অন্যান্য মাছের সরবরাহ বেড়েছে। অন্যদিনের তুলনায় বাজারে রুই, পাঙাশ, চিতল, কোরালসহ সাগরের বিভিন্ন মাছ বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারে কোরাল ১০০০-১১০০ টাকা, চিতল ৪০০-৪৫০ টাকা, সুরমা ২০০, চিংড়ি ৫৫০-৮০০ টাকা, পাঙাশ ২৫০ টাকা, কৈ ৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০-১৫০ টাকা, পোয়া মাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, শিং মাছ ৩০০-৩৫০ টাকা ও পাবদা ৩০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা: বরিশালে অভিযান শুরু 

পোর্টরোড বাজারে আসা শামীম নামের এক ক্রেতা বলেন, বাজারে ইলিশ নেই ঠিক আছে। তবে যে মাছ রয়েছে সেগুলোও সাধ্যের বাইরে। ৩০০-৪০০ টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। ইলিশ তো দূরের কথা দেশী প্রজাতির মাছও কেনা সম্ভব নয়।

সুজন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, আগে যে তেলাপিয়া-পাঙাশ মানুষ খেতে চাইতো না সেসব মাছ এখন ২০০ টাকার বেশি। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের হস্তক্ষেপ দরকার।

ওই বাজারের মাছ বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, মধ্যরাত পর্যন্ত ইলিশ বেচাবিক্রি হয়েছে। এখন অন্যান্য মাছ বিক্রি করছি। এ ২২ দিন নদীতে ইলিশ শিকার বন্ধ থাকলে সামনে আশানুরূপ ইলিশ পাওয়া যাবে। তখন দামও কিছুটা কম থাকবে।

অন্যান্য মাছের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন আগের চেয়ে সবকিছুতেই খরচ বেড়েছে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবহন খরচ, বাজারে আড়তদারিও বেড়েছে।

শাওন খান/আরএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।