ঝালকাঠিতে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত: ০৮:৫৪ এএম, ২৭ মার্চ ২০১৬

ঝালকাঠি পৌরসভার ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন করে তফশীল ঘোষণা ও নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন নারিকেল গাছ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র আফজাল হোসেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১ টায় শহরের আড়দ্দার পট্টিস্থ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবী জানান।

অপরদিকে সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভোট কেন্দ্র দখল ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্টকে কুপিয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে ৭টি কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র (আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী) চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লিটন। রোববার সকাল ১০ টায় ঝালকাঠির ব্র্যাকমোড়স্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ দাবি জানান।

আফজাল হোসেন বলেন, পৌর এলাকার ১৮ টি ভোটকেন্দ্রের সকল পোলিং এজেন্টকে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন মারধর করে বের করে দেয়। আমি তাতে বাধা দিতে গেলে আমার উপর হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে আমাকে একটি রুমের মধ্যে আটকে রাখা হয়। এর পূর্বে সকাল ৮ টা থেকে ভোট শুরু হবার পরে নারিকেল গাছ প্রতীকে ভোট পড়ছে দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে এ ষড়যন্ত্র করে। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ঝালকাঠি পৌরসভার নতুন করে তফশীল ঘোষণা ও নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।

আমিনুল ইসরাম লিটন বলেন, সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে জেলার এক শীর্ষ নেতার ভাগ্নে ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় আমার এজেন্টদের বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল, ভাইসহ কর্তব্যরত আরো ২ জন আনসারকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এমনকি ২২ মার্চ নির্বাচনের আগের রাতে সামান্য একটি মামলায় আমাকে আটক করে পুলিশ। সকালে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত থেকে জামিন নিয়ে বেরিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারি। কিন্তু আমাকে বিকেলে আদালতে দিয়ে আমার নির্বাচনী কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। একদিকে আমি আটক, অন্যদিকে ভাইকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করায় নির্বাচনী এজেন্ট ও ভোটাররা হতাশ হয়ে পড়ে।

এ সুযোগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন আমার ভোটারদের তাড়িয়ে দিয়ে জাল ভোট প্রদান ও ফলাফল কারচুপির মধ্যে বিজয় ছিনিয়ে নেয়। এ জন্য জুতিয়া, বেরমহল, কাঁচাবালিয়া, বেরমহল, হোসেনপুর, রামচন্দ্রপুর, গাভারামচন্দ্রপুর ও রমজানকাঠি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান লিটন খান।

এসময় মো. সাঈদ উদ্দিন মল্লিক, মো. মতিউর রহমান, মো. আজাহার আলী খান, আ. সত্তার মাস্টার, বিজয়কৃষ্ণ দাসসহ এলাকার শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।

আতিকুর রহমান/এফএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।