সাত খুন মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৩১ মার্চ


প্রকাশিত: ১১:২৬ এএম, ২৮ মার্চ ২০১৬

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুইটি মামলায় একজন ম্যাজিস্টেটসহ দুইজন সাক্ষ্যগ্রহনের মধ্যদিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৩টায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামী ৩১ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করে আদালত।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাত খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ২৩ জনের উপস্থিতিতে দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। এদিন প্রথমে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদনী রূপমের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাত খুনের পর তার আদালতে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে চারজন ও একজন সাক্ষীর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হয়।

দুপুরে সাত খুনের ঘটনায় নিহত মনিরুজ্জামানের ছোট ভাই মিজানুর রহমানের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আরো তিনজন উপস্থিত থাকলেও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সময় প্রার্থনার কারণে এদিন অপর তিনজনের সাক্ষ্য করা হয়নি।

তিনি আরো জানান, সাত খুনের ঘটনায় দুইটি মামলা রয়েছে তাই কালক্ষেপন না করে দুইটি মামলার সাক্ষীদের আলাদাভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ না করে এক সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য রাষ্টপক্ষ আদালতের কাছে আবেদন করলে আদালতে তা মঞ্জুর করে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, সকাল ১০টা ১৫মিনিটে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। আর আসামিপক্ষের অনেক আইনজীবী থাকায় সাক্ষীদের আলাদা আলাদা জেরা করায় সময় বেশি লাগে। নিহতের পরিবারের সদস্য সাক্ষী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সাক্ষী দিয়েছে। তিনি তার সাক্ষ্যগ্রহণে বলেছে, নূর হোসেনের সঙ্গে নজরুলের বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে নূর হোসেনের পরিকল্পনায় নজরুলসহ সাতজনকে খুন করেছে।

জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় গ্রেফতার রয়েছেন ২৩ জন। পলাতক ১২ জন। সাত খুনের ঘটনায় দুইটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল হলেন নিহত অ্যাড. চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা ও অপর বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি হলেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী। মামলা দুইটি অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে। এ কারণে উভয় মামলার সাক্ষীদের একই সঙ্গে দুই মামলায় জেরা করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের লিংক রোড থেকে দুপুরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী চন্দন সরকার ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণের পর হত্যা করে তাদের লাশ শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয়া হয়। ৩০ এপ্রিল ছয়জন এবং পরের দিন একজনের মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

সাহাদত হোসেন/এআরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।