টেকনাফে ১০ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গত এক মাসে প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও চোরাই পণ্য উদ্ধার করেছে বর্ডার র্গাড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর মধ্যে ১৩৮ মামলায় ৪৪ জন আটক ও ৮ জনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।
বর্ডার র্গাড ২ এর ব্যাটলিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবু জার আল জাহিদ জানান, গত র্মাচ মাসে ৯ কোটি ৯৫ লাখ ১৭ হাজার ৫৩১ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও চোরাই পণ্য উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৮ পিস ইয়াবা উদ্ধারে ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২৫ জন আটক ও ৭ জনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে। যার মূল্য ৫ কোটি ৩ লাখ ২১ হাজার ৪শ টাকা। এর মধ্যে মালিকসহ ৩৭ হাজার ৭ পিস ও মালিক বিহীন ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৩১ পিস ইয়াবা রয়েছে।
এছাড়া সীমান্তে ৪০ লাখ ৭৯ হাজার ৩শ টাকার বিভিন্ন প্রকার মাদক দ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা ৫৮ মামলায় ৮ জন আটক ও ১ জনকে পলাতক আসামি করা হয়। এতে ৮ হাজার ৬০৭ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ১৮০ বোতল বিভিন্ন প্রকার মদ, ১ বোতল ফেন্সিডিল, ১০ দশমিক ২ কেজি গাঁজা, ২৭৭ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩১ টাকার বিভিন্ন প্রকার চোরাইপণ্য উদ্ধারে ঘটনায় দায়ের করা ৪৭ মামলায় ১১ জনকে আটক করা হয়।
অন্যদিকে টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার থাকায় মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকালে ৩০৯ জন নাগরিককে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারমধ্যে ১৯৪ পুরুষ, ৭৭ নারী ও ৩৮ শিশু ছিল বলে জানান তিনি।
এদিকে সীমান্তে ইয়াবা, মাদকদ্রব্য পাচার ও চোরাই পণ্যের চালান অনেকটা কমে এসেছে দাবি করে তিনি বলেন, বিজিবির কর্মকর্তা থেকে সৈনিকরা এ সব উদ্ধারে নিরলস ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব রোধে বিজিবির বিভিন্ন টিম সীমান্ত, চেকপোস্টসহ বিভিন্ন স্থানে সর্বদা সর্তক অবস্থানে রাখা হয়েছে ।
সায়ীদ আলমগীর/এসকেডি