কক্সবাজার-৩

অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৩:৩৩ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২৪

ভোট কারচুপি ও কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগে কক্সবাজার-৩ আসনে ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফিং করে এ ঘোষণা দেন তিনি।

এর আগে ভোট স্থগিত চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন দিয়েছেন ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ। আবেদনে ভোটে গুরুতর অনিয়ম, জালিয়াতি ও কারচুপির অভিযোগ করে পুনঃ-নির্বাচনের দাবি করেন তিনি।

সেখানে আরও উল্লেখ করেন, সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও কক্সবাজার সদর, রামু, ঈদগাঁও উপজেলার সিংহভাগ কেন্দ্রে আমার এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। অন্যান্য কেন্দ্রসমূহের মধ্যে যারা প্রবেশ করেছিলেন তাদের নৌকার প্রার্থীর লোকজন বের করে দেয়। সেইসঙ্গে আমার সমর্থক ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। মৃত ও প্রবাসীদের ভোট জাল করে নৌকা প্রতীকে সিল মারা হচ্ছে। পুলিশ, বিজিবি ও নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য সংস্থার লোকদের তাৎক্ষণিক অভিযোগ করা সত্ত্বেও তাদের সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও লিখেন, ইসলামপুর নাপিতখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পূর্ব নাপিতখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামপুর উত্তর খান ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খোদাইবাড়ী ওয়াহেদরপাড়া আছদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুনিয়াপালংয়ের গোয়ালিয়া পালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধেচুয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়সহ আরও অসংখ্য কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতি হয়েছে।

অভিযোগগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ইউএনওসহ জেলা প্রশাসনকে অবহিত করি। তবে এ বিষয়ে আমি তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাইনি। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেছেন ১৬৭ কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ সম্ভব হয়নি। এরপরও অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

এ সম্পর্কে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরানের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

সায়ীদ আলমগীর/আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।