জাগো নিউজকে জ্বালানি উপদেষ্টা

বেসরকারি নির্ভরশীলতা কাটাতে এলপিজি আমদানির অনুমতি পেয়েছে বিপিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৫৫ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান/ফাইল ছবি

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে দেশে চলমান সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে এক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের ওপর একক নির্ভরশীলতা কাটাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) এই গ্যাস আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সঙ্গে সরকারের (জিটুজি) চুক্তির ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি এই নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তিনি বলেন, ‘বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া শুরুর জন্য বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসানকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হচ্ছে। কাজ চলছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এলপিজির সংকট দেখা দিলে তা আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দেয় বিপিসি। চিঠিতে বলা হয়, দেশের এলপিজি বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকটের সময় সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত। ফলে সরবরাহ-ঘাটতি ও কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা মোকাবিলার কার্যকর কোনো হাতিয়ার সরকারের হাতে থাকে না।

বিপিসির এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি যাতে এলপিজি আমদানি করতে পারে এখন সেই প্রক্রিয়া শুরু হলো।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি জাগো নিউজকে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছিলেন, ‘সরকারের সঙ্গে সরকারের (জিটুজি) চুক্তির মাধ্যমে এলপিজি আমদানি করে বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর কথা আমরা চিন্তা করছি। যাতে বেসরকারি খাত একচেটিয়াভাবে বাজার দখল করতে না পারে।’

দেশে এলপিজি ব্যবসার ৯২ শতাংশ বেসরকারি খাতে এবং মাত্র দুই শতাংশ সরকারি খাতে জানিয়ে উপদেষ্টা সেদিন আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। এখন কথা হচ্ছে যেটা আমাদের হাতে না, ওটা তো বেসরকারি খাতে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আমরা ভাবছি সরকার হয়তো এলপিজির আরও বড় অংশে থাকবে। যাতে বাজারে ভারসাম্য থাকে।’

এনএস/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।