টিভিএস নিয়ে মোটরসাইকেল ব্যবসায় প্রাণ-আরএফএল
- মোটরসাইকেল ব্যবসায় প্রাণ-আরএফএল
- টিভিএস এখন প্রাণ-আরএফএলের হাতে
- বিনিয়োগ করবে ৫০০ কোটি টাকা
- কর্মসংস্থান হবে ৫ হাজার মানুষের
- সচল হবে ডিলার পয়েন্ট, আসবে নতুন ডিলারও
- সেবা পাবেন টিভিএসের পুরোনো গ্রাহকরাও
- বাইসাইকেলের দামে মিলবে রাইডো স্কুটি
মোটরসাইকেল ব্যবসায় যাত্রা শুরু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএল। দেশে ‘টিভিএস মোটরসাইকেল’ তৈরি ও বিপণনের দায়িত্ব পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খ্যাতনামা এই ব্র্যান্ডটির মোটরসাইকেল তৈরিতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ বিনিয়োগের মাধ্যমে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে প্রাণ-আরএফএলের নিজস্ব কারখানায় তৈরি হবে এ মোটরসাইকেল। একপর্যায়ে ইঞ্জিন থেকে শুরু করে মোটরসাইকেলের সব যন্ত্রপাতি দেশেই উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে গ্রুপটির। সেজন্য ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজেও বিনিয়োগের লক্ষ্য প্রতিষ্ঠানটির।
একই সঙ্গে নিজস্ব ব্র্যান্ডের পরিবেশবান্ধব ‘রাইডো’ ইলেকট্রিক স্কুটারও সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায় প্রাণ-আরএফএল। বর্তমানে এই স্কুটারটির দাম ৫৫ হাজার টাকা হলেও তা ৪৫ হাজার টাকায় নামিয়ে আনতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, খ্যাতনামা ব্র্যান্ড ‘টিভিএস মোটরসাইকেল’ বাংলাদেশে বিপণনের দায়িত্ব পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে প্রাণ-আরএফএলের হাত ধরে টিভিএস ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বাজারজাত শুরু হতে পারে। এর আগে দেশে টিভিএস মোটরসাইকেল বিপণনের দায়িত্বে ছিল র্যাংগস গ্রুপ। ব্যবসা ভালো না হওয়ায় বিপণনের নতুন দায়িত্ব পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল।
জানতে চাইলে আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রথীন্দ্র নাথ পাল (আর এন পাল) জাগো নিউজকে বলেন, ‘একসময় টিভিএস তরুণদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। আমরা আমাদের কারখানায় মেড ইন বাংলাদেশ টিভিএস মোটরসাইকেল তৈরির লক্ষ্যে শিগগির কাজ শুরু করবো।’
‘এজন্য কয়েক ধাপে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। কারখানা নির্মাণে টিভিএস আমাদের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নতুন মডেল, উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম ও বিক্রয়-পরবর্তী উন্নত সেবাদানের মাধ্যমে আমরা এ ব্র্যান্ডটি আবারও শীর্ষস্থানে নিয়ে যেতে চাই’—যোগ করেন আর এন পাল।
এ বিষয়ে আরএফএল গ্রুপের বাইক ব্যবসার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ আমাদের হাত ধরে টিভিএস ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বাজারজাত শুরু হবে। চলতি বছরই হবিগঞ্জে আমাদের নিজস্ব কারখানায় পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের কারখানায় মাসে ৫০০০ ইউনিট টিভিএস মোটরসাইকেল তৈরি হবে। পরবর্তীসময়ে কারখানা সম্প্রসারণ করে এ সক্ষমতা দ্বিগুণ করা হবে।’
সেবা পাবেন টিভিএসের পুরোনো গ্রাহকরা
টিভিএস মোটরসাইকেলের বিপণনে বিদ্যমান থাকা ডিলার পয়েন্টগুলো আরও সচল করার লক্ষ্য রয়েছে প্রাণ-আরএফএল’র। যাদের ব্যবসা ভালো চলছে তাদের ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে আরও নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ডিলার রয়েছেন, কিন্তু ব্যবসা একেবারেই নেই, তাদের বাদ দেওয়া হতে পারে। নিয়োগ দেওয়া হতে পারে নতুন ডিলারও।
এছাড়া টিভিএস মোটরসাইকেলের পুরোনো গ্রাহকরাও সেবা পাবেন সার্ভিস সেন্টারগুলো থেকে। যাদের ওয়ারেন্টি পিরিয়ড রয়েছে, ফ্রি সার্ভিসের সময় রয়ে গেছে, তারা টিভিএসের পুরো সেবা পাবেন নতুন আঙ্গিকে। টিভিএসকে আগের মতো সেরা ব্রান্ডে পরিণত করতে চায় প্রাণ-আরএফএল।
নতুন এ ব্যবসায় প্রবেশের কারণ জানতে চাইলে আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরএন পাল বলেন, ‘বর্তমানে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল তরুণদের কাছে শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি একটি লাইফস্টাইল পণ্যে পরিণত হয়েছে। আরএফএল গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত বাইসাইকেল তৈরি ও বিপণন করে আসছে। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা মোটরসাইকেল ও পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজারে প্রবেশ করেছি।’
প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ইলেকট্রিক স্কুটার এবং পেট্রোল ও অকটেনচালিত মোটরসাইকেল—এ দুই খাতে কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে তারা। ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সৃষ্টি হবে পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। শিগগির হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে মোটরসাইকেল সংযোজন ও তৈরির কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করা হবে।
পাশাপাশি আধুনিক বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা ও বিক্রয়োত্তর উন্নত সেবা নিশ্চিত করতেও বিনিয়োগ করবে গ্রুপটি। এরই মধ্যে হবিগঞ্জের কারখানাটিতে রাইডো ইলেকট্রিক স্কুটার তৈরি ও বিপণন শুরু করেছে আরএফএল।
প্রতিষ্ঠানটি দুই ধরনের পণ্য তৈরি ও বিপণনের জন্য সরাসরি প্রায় এক হাজার জনবল নিয়োগও দিয়েছে। পুরোদমে চালু হলে আরও এক হাজার মানুষ কাজের সুযোগ পাবেন। এছাড়া সরবরাহকারী, পরিবেশক, সার্ভিস নেটওয়ার্কসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে পরোক্ষভাবে আরও তিন হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

সাইকেলের দামে রাইডো স্কুটি
রাইডো স্কুটারকে বাইসাইকেলের দামে নামিয়ে আনতে চায় প্রাণ-আরএফএল। ইলেকট্রিক স্কুটারকে ভবিষ্যতের বাহন হিসেবে বিবেচনা করে এ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেবে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ইলেকট্রিক এই স্কুটারের দাম ৫৫ হাজার টাকা হলেও তা ৪৫ হাজার টাকায় নামিয়ে আনতে চায় গ্রুপটি। সেজন্য বেকওয়ার্ড লিংকেজ ও উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ করছে তারা।
জানতে চাইলে আরএন পাল বলেন, ‘ভারত, চীন, ভিয়েতনামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যাপক জনপ্রিয়। আমাদের দেশেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে উচ্চমূল্যের কারণে বাজার গড়ে উঠেনি। আমরা ২০২৭ সালের মধ্যে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে উন্নতমানের রাইডো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক স্কুটার গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে ইলেকট্রিক স্কুটার উৎপাদন ও সংযোজন শুরু হয়েছে। এজন্য ইতোমধ্যে ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া পণ্য তৈরিতে ২০ শতাংশ যন্ত্রাংশ কারখানাতেই উৎপাদন হচ্ছে। আগামী বছরের মধ্যে ইলেকট্রিক স্কুটারের প্রায় সব যন্ত্রাংশ নিজেরাই তৈরি করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য আরও ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।’
আরএফএল গ্রুপের বাইক ব্যবসার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে কারখানায় প্রতি মাসে রাইডো ব্র্যান্ডের ৫০০ ইলেকট্রিক স্কুটার তৈরি হচ্ছে। এটি আরও সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে। পুরোদমে চালু হলে প্রতি মাসে ৩০০০ ইউনিট স্কুটার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।’
ইলেকট্রিক স্কুটারের চার্জিং খাতেও বিনিয়োগ
ইলেকট্রিক স্কুটারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ চার্জিং অবকাঠামো। এ বিষয়ে বিনিয়োগের কথা জানিয়ে আরএন পাল বলেন, ‘আমরা প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের রিটেইল আউটলেটগুলোতে দ্রুত চার্জিং স্টেশন স্থাপন করছি। এজন্য জাপানিজ প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ গ্লাফিট বাংলাদেশ লিমিটেডের সহায়তায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’ এর ফলে ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে মোটরসাইকেলের বাজার প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার কোটি টাকার। বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ। বর্তমানে রাস্তায় চলছে—এমন সব মোটরসাইকেলের প্রায় ৯৯ শতাংশই দেশে তৈরি অথবা সংযোজন করা।
মোটরসাইকেল শিল্পে নিজেদের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে আরএফএল গ্রুপের বাইক ব্যবসার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘প্রথম বছর আমরা স্থিতিশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। ডিলার ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং উন্নত গ্রাহক সেবা নিশ্চিতের মাধ্যমে আস্থা অর্জন আমাদের প্রধান লক্ষ্য। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে আমরা নেতৃত্বের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’

কর্মী ও বিক্রয়কর্মীরাই এগিয়ে নিচ্ছে প্রাণ-আরএফএল
প্রাণ-আরএফএল বলছে, প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে শক্তিশালী বিপণন ব্যবস্থা। যার প্রতিটি কর্মীই সত্যিকার অর্থে প্রাণ-আরএফএল’র মালিক। ফলে টিভিএসের বিপণনেও প্রাণ-আরএফএল এগিয়ে যাবে।
আরএন পাল বলেন, ‘আমাদের গ্রুপের অন্তত ১ লাখ ৮০ হাজার কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ৫ হাজার কর্মী নিজেদের মালিক বলে মনে করেন। যারা নিজ নিজ সেক্টরের কাজটাকে নিজের মনে করে এগিয়ে নিয়ে যান। তাদের কোনো সুপারভাইজ করতে হয় না, তারা নিজেদের দায়িত্ব মনে করে কাজ করেন। আমাদের ৫ হাজার ওনার্স আছে, যেখানে অন্য কোম্পানিতে এই ওনার্স সংখ্যা হয়তো ৫ থেকে ১০ জন। আমাদের ৫ হাজার ওনার্স কিন্তু এই ব্যবসাটা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে—নাম্বার ওয়ানে।’
দেশে মোটরসাইকেলের বাজার
দেশে বর্তমানে চার থেকে পাঁচ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়ে থাকে। মোটরসাইকেল তৈরির কারখানা রয়েছে অন্তত আটটি। এরমধ্যে আছে জাপানের ইয়ামাহা, হোন্ডা ও সুজুকি এবং ভারতের হিরো, বাজাজ ও টিভিএস। একই সঙ্গে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রয়েছে রয়্যাল এনফিল্ডের সংযোজন কারখানা। দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে রয়েছে রানার অটোমোবাইলসের কারখানাও। তারা দেশীয় বাজারে অবস্থান পোক্ত করতে না পারলেও উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল রপ্তানি করে বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি।
বর্তমানে মোটরসাইকেলে ভর করে সংসার চলছে অনেকের। রাইড শেয়ারিংয়ে প্রায় ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাঠাওয়ের নিবন্ধিত চালক ও রাইডার সাড়ে ৪ লাখ। উবারের নিবন্ধিত চালক ও রাইডার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ।
মোটরসাইকেল বিক্রি ও প্রবৃদ্ধির চিত্র
দেশে মোটরসাইকেল বিক্রি ২০৩০ সাল নাগাদ বছরে ছয় লাখে পৌঁছাতে পারে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। গত বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৮০টি মোটরসাইকেল বিক্রি হয়েছে। ২০২৪ সালের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩২টি। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৪ শতাংশ। গত নভেম্বরে ৩৩ হাজার ৭২৭টি মোটরসাইকেল বিক্রি হয়েছে, যেখানে আগের বছর একই মাসে বিক্রি হয়েছিল ৩১ হাজার ২৮৮টি। প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।
অর্থবছরের হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বিক্রির পরিমাণ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯১৭টি, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯০৪টি। প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২১ শতাংশে।
নিবন্ধিত বাইক ৪৮ লাখ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্যমতে, দেশে এখন নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৮ লাখ ১৬ হাজার ৫৩১টি। অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত নিবন্ধন নেওয়া হয়েছে দুই লাখ ৩৫ হাজার ৫৮১টি। এর আগে ২০২৪ সালে নিবন্ধন করা মোটরসাইকেলের সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৬২ হাজার ৭১৫টি।
এর আগে তিন লাখ ১০ হাজার ৪১৮টি মোটরসাইকেল নিবন্ধন দেওয়া হয় ২০২৩ সালে। ২০২২ সালে এ সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৬ হাজার ৯১২টি, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২১ সালে তিন লাখ ৭৫ হাজার ২৫২টি, ২০২০ সালে তিন লাখ ১১ হাজার ১৬টি ও ২০১৯ সালে চার লাখ এক হাজার ৪৫২টি মোটরসাইকেল নিবন্ধিত হয়।
ইএইচটি/এমকেআর