লাখ কোটি টাকার এডিপি আসছে


প্রকাশিত: ০১:৩৩ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০১৫

পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার হবে এক লাখ কোটি টাকা। এরমধ্যে মেগা প্রকল্পগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হবে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছর শেষে এসব মেগা প্রকল্পগুলো দৃশ্যমান হবে।

সোমাবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত ১০টি ও ব্যয় বিবেচনায় সর্বনিম্ন অগ্রগতি সম্পন্ন ১০টি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, এ বছর প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বাস্তবায়ন কার্যক্রম দেখে আগামী বছরের বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) জনবল বৃদ্ধিসহ সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সচিবদের নির্দেশনা দেন।

আইএমইডির কর্মকর্তার সংখ্যা ৭৮ থেকে ১২০ এ উন্নীত করার কাজ চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।

এ বছর প্রকল্প বাস্তবায়ন হার কেমন হবে এ নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আজকের (সোমবার) সভায় সচিবগণ আমাকে জানিয়েছেন তাদের স্ব স্ব মন্ত্রণালয় সংশোধিত এডিপি অনুযায়ী শতভাগ বাস্তবায়ন করতে পারবে। আগামী বছরে বিভিন্ন নতুন প্রকল্প নিয়েও পরিকল্পনামন্ত্রী কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ঢাকা শহরসহ বড় বড় শহরের নামীদামি স্কুলগুলোতে ভর্তি সংকট প্রকট। এ জন্য সরকার এসব স্কুলগুলোর ভবনকে ১৫ থেকে ২০ তলা পর্যন্ত ঊর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ করবে। সরকার আশা করছে, এতে করে দুই লাখ ছাত্র-ছাত্রী নতুনভাবে ভর্তির সুযোগ পাবে। গ্রামের স্কুলগুলোও তিন থেকে চার তলা করা হবে।

এসব স্কুল টাইলস দিয়ে তৈরি করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষার জন্য কোনো স্কুল বন্ধ থাকবে না। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য স্কুল খোলা রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হবে।

দেশে বিদ্যমান মহাসড়কগুলোর কাছে বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠা গ্রামীণ হাটবাজার নিয়েও কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগে প্রকল্পের আওতায় মহাসড়কের পাশে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে হাটবাজার করে দেবে সরকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, আগামীতে সংসদ সদস্যদের অগ্রাধিকার দিয়ে একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় একজন সংসদ সদস্য পাঁচ বছরে মোট ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাবে। তবে তিনি সরাসরি একটি টাকাও ব্যয় করতে পারবেন না। তিনি তার চাহিদা এলজিইডিকে জানাবেন। এলজিইডি প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করবে।  সব এলাকার জন্য এই বরাদ্দ সমান হবে।

এ সময় বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

এসএ/আরএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।