আয়-বৈষম্য বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:২৩ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইডের ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আজিজুর রহমান খান বলেছেন, ‘এদেশে (বাংলাদেশে) দ্রুতগতিতে দারিদ্য কমলেও সেইহারে কমছে না আয়-বৈষম্য। বরং ক্ষেত্রবিশেষে বাড়ছে। আমেরিকা ও বাংলাদেশের আয়-বৈষম্য ভিন্ন ধরনের। যে বিচারেই হোক না কেন বাংলদেশের আয় বৈষম্য প্রকট। এছাড়া আমাদের যেসব সম্ভাবনা আছে তা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বিশেষ করে, উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক গণতন্ত্র খুবই জরুরি। আয়-বৈষম্য দূর করতে সামাজিক এবং রাজনৈতিকভাবে আমাদের কাজ করতে হবে।’

মৌলিক অর্থনীতি বিষয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বাংলাদেশ ব্যাংক-২০১৭’ পুরস্কার গ্রহণ করে রোববার বিকেলে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটরিয়ামে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন ড. আজিজুর রহমান খান এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও ব্র্যাকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মরহুম ড. মাহবুব হোসেন (মরণোত্তর)। মরহুমের উত্তরাধিকারীর হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা দেয়া হয়েছে। পুরস্কারের সম্মাননা হিসেবে প্রত্যেককে একটি করে স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেস্ট এবং নগদ দুই লাখ টাকা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান, বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই অর্থনীতিবিদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, আজ আমার খুব খুশির দিন। কেননা, এই দুজনকেই আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। মাহবুব অনেক আগেই চলে গেছে। দেশকে তার দেয়ার আরও অনেক কিছু ছিল। অন্যদিকে, আজিজুর রহমান ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো ছাত্র ছিল।

এর আগে ২০০০ সালে অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ২০০৯ সালে ড. নুরুল ইসলাম, ২০১১ সালে প্রফেসর ড. মুশররফ হোসেন এবং ২০১৩ সালে অধ্যাপক ড. মোজাফফর আহমদ (মরণোত্তর) এবং ড. স্বদেশ রঞ্জন বোসকে (মরণোত্তর) ‘বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।

এমএ/জেডএ/এমআরএম

আপনার মতামত লিখুন :