বাণিজ্য মেলায় সেবা দিচ্ছে ৪ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সেবা দিচ্ছে চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। সঙ্গে রয়েছে এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা।

অংশগ্রহণ করা সরকারি বেসরকারি চার ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ব্যাংক এবং বেসরকারি ডাচ্ বাংলা ও ইসলামী ব্যাংক। এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে বিকাশ ও রকেট।

মেলায় শুধু ক্রেতাদের জন্য ব্যাংকিং সেবা নয়। স্টল প্যাভিলিয়ন মালিকদের জন্য রযেছে লেনদেনের বিশেষ ব্যবস্থা। সারা দিনের বেচা-কেনার অর্থ সহজেই এসব ব্যাংকে জমা দিতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংকে হিসাব খোলা ও ঋণ আমানতসহ বিভিন্ন সেবার তথ্য প্যাভিলিয়নে পাওয়া যাচ্ছে।

ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা জানান, ক্রেতা-দশনার্থীদের লেনদেনের সুবিধায় দেয়া হচ্ছে ব্যাংকিং সেবা। কেনাকাটা করতে চাহিদা মতো টাকা তোলা ও বিক্রেতাদের নগদ টাকা জমা নেয়া হচ্ছে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। এসব শাখায় পণ্যের ভ্যাট পরিশোধ, এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে টাকা পাঠানোর মত সেবাও পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি এটিএম বুথের মাধ্যমে নগদ টাকাও তুলতে পারছেন মেলায় আগতরা। একই সঙ্গে গ্রাহকের নতুন হিসাব খোলা, বিভিন্ন আমানত ও ঋণ প্রকল্প সম্পর্কেও নানা তথ্য জানানো হচ্ছে।

মেলার সদস্য সচিব ইপিবির কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আর্থিক লেনদেনের সুবিধার্থে মেলায় চারটি ব্যাংক সেবা দিচ্ছে। এর মধ্যে ভ্যাট গ্রহণ, অর্থ লেনদেনের সুবিধার্থে সরাসরি সোনালী ব্যাংককে বরাদ্দ দিয়েছে ইপিবি। অর্থাৎ মেলা থেকে রাজস্ব আয় সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে। আর বাকি তিন ব্যাংক প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ নিয়েছে। তাদের নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন সেবা দিচ্ছে। মেলায় নগদ অর্থ লেনদেনের জন্য এটিএম বুথ এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু রয়েছে।’

Commerce Fair

মেলায় ইসলামী ব্যাংকের ৩৩ নম্বর প্যাভিলিয়নটি আকর্ষণীয় করে নির্মাণ করা হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের প্যাভিলিয়ন থেকে দেশব্যাপী ব্যাংকের ৩৪২টি শাখায় হিসাব খোলা, নগদ জমা ও এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন সুবিধা পাচ্ছেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। এছাড়া এজেন্ট ব্যাংকিং, এমক্যাশ, আই-ব্যাংকিংসহ আমানত ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

মেলায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. মাহবুব উল আলম বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক প্রতিবছরই বাণিজ্য মেলায় অংশ নেয়। এবার আরও বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইসলামী ব্যাংকের শিল্পায়ন, গার্মেন্টস, পল্লী উন্নয়ন, আবাসন, পরিবহন, কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পে বিনিয়োগ কার্যক্রম এতে উপস্থাপন করেছে। বৈদেশিক বাণিজ্য, প্রযুক্তি নির্ভর ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, চিকিৎসা, শিক্ষা এবং সিএসআর কার্যক্রমের নান্দনিক চিত্রায়ন প্যাভিলিয়নের ভেতর-বাইরে স্থান পেয়েছে।’

জনতা ব্যাংকের প্যাভিলিয়নে দায়িত্বরত কর্মকর্তা পৃথ্বীরাজ কিশোর চন্দ্র জানান, মেলায় অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য নিজেদের পণ্য ক্রেতা-দশনার্থীদের কাছে তুলে ধরা। মেলায় সাধারণ লেনদেনসহ ব্যাংকিং বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা অনলাইন ব্যাংকিং ও এটিএম বুথের সেবা দেয়া হচ্ছে।

মেলায় পাঁচটি এটিএম বুথ বসিয়ে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এছাড়া ক্রেতা-দর্শনার্থীরা নিজেদের পণ্য সম্পর্কে জানানোসহ এজেন্ট ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

এসআই/এএইচ/এমএস