অনলাইনেও জমেছে ঈদ কেনাকাটা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২১ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২২

মহামারি করোনার ধকল কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়েছে জনজীবন। দুই বছর পর করোনা প্রাদুর্ভাবের ভয়ডরহীন ঈদ উদযাপন করবে সমগ্র জাতি। ঈদ উপলক্ষে জমজমাট হয়ে উঠছে নগরীর শপিং মলগুলো। সশরীরে কেনাকাটার পাশাপাশি অনলাইনেও বাড়ছে ঈদের কেনাকাটা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সব কিছু খুলে দেওয়ার পর মানুষ শপিংমলমুখী হলেও ১৫ রোজার পর অনলাইনে কেনাকাটা বেড়েছে। তবে ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।

এ বিষয়ে দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সহজে পণ্য কেনাকাটার মাধ্যমে ক্রেতাদের সন্তুষ্টি অর্জনের বিষয়টিকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়ে থাকে দারাজ। ঈদুল ফিতর বাংলাদেশের মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের মানুষের উৎসবের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে আমরা ক্রেতাদের জন্য আকর্ষণীয় অফারের এ ক্যাম্পেইন নিয়ে আসতে পেরে অন্যন্ত আনন্দিত। এর মাধ্যমে ক্রেতারা সহজেই অনলাইন থেকে পছন্দের পণ্য কিনে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।

ওয়ালটনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ওয়ালকার্ট ডটকম এর চীফ অপারেটিং অফিসার শওকত ইলাহী জাগো নিউজকে বলেন, নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি। বিশেষ করে ওয়ালটন পণ্যের বিক্রি ভালো চলছে। পাশাপাশি ফ্যাশন পণ্যও বিক্রি বেড়েছে। এছাড়া আমরা ভাউচার বিক্রি করছি। গ্রাহক ভাউচার কিনে নির্ধারিত আউটলেটে ব্যবহার করতে পারছেন।

তিনি আরও বলেন, গত দুই বছরে অনলাইনে বিক্রি একেবারেই বন্ধ হয়নি। করোনার প্রথম বছরে খুব ভালো বিক্রি হয়েছে অনলাইনগুলোতে। এবার প্রথমে অনলাইনে বেচাকেনা একটু কম হয়েছে। কেননা সবাই দুই বছর পর মার্কেটমুখী হয়েছে। মানুষ একই সঙ্গে কেনাকাটা ও খাওয়ায় দাওয়া করছে। তাই রোজার শুরুতে অনলাইনে বিক্রি কম হয়েছে।

‘তবে কিছু প্রতিষ্ঠানের বেতন-বোনাস হয়ে যাওয়ায় এখন অনলাইনে বিক্রি বেড়েছে। এই সপ্তাহে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের বোনাস হয়ে যাবে। গত ১৩-১৪ তারিখে বেচাকেনার যে ট্রেন্ডটা ছিল তার তুলনায় এখন প্রায় শতভাগ গ্রোথ (বৃদ্ধি) হয়েছে। রোজার শুরুতে যে সেল (বিক্রি) ছিল সেটা এখন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী ২৪-২৫ তারিখের দিকে অনলাইনে বড় ধরনের একটা বেচাকেনা দেখতে পারবো।’

ফুডপান্ডার হেড অব পিআর (জনসংযোগ) সৌরভ দে জাগো নিউজকে বলেন, আমরা ভালোই সাড়া পাচ্ছি। ফুড ডেলিভারি ও মুদি পণ্য বিক্রিতে প্রচু্র অর্ডার পাচ্ছি। গত বছরের মতো এই বছরও আমাদের ইফতারওয়ালা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। এবার এটার কলেবর (বিস্তৃতি) আরও বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মুদি পণ্যে আমরা বেশ গুরুত্ব দিয়েছিলাম শুরু থেকেই। পান্ডামার্টে আমরা রোজার বাজার সাজিয়েছিলাম। সেখানেও প্রচুর অর্ডার পেয়েছি। দুই বছর পর এবার রেসপন্স (সাড়া) নি:সন্দেহে ভালো। সবচেয়ে বড় কথা আমরা গ্রাহককে দ্রুত ও সহজে পণ্য পৌঁছে দিতে চাই। এবারের ঈদেও গ্রাহকের দুয়ারে সহজে খাবারসহ মুদি পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছি।

এসএম/এমপি/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।