বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৮০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিন সরবরাহ করলো আরএফএল হাউজওয়্যার
পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য শৃঙ্খলায় আনতে বিন সরবরাহ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ আরএফএলের গৃহস্থালি পণ্যের ব্র্যান্ড আরএফএল হাউজওয়্যার।
‘বিনস অব চেঞ্জ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ধানমন্ডি, শাহবাগ, লালবাগ, যাত্রাবাড়ি, উত্তরা, বনানীসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকার স্কুলে বিন সরবরাহ ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান করেছে গৃহাস্থালি পণ্যের এ ব্র্যান্ড।
সম্প্রতি ভিকারুননেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ ঢাকার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিন সরবরাহ করেছে আরএফএল হাউজওয়্যার। এ পর্যন্ত প্রায় ৮০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরএফএল হাউজওয়্যারের পক্ষ থেকে ছয় শতাধিক বিন সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আরএফএল হাউজওয়্যারের হেড অব মার্কেটিং ইসফাকুল হক বলেন, প্রতিদিন উৎপাদিত বর্জ্যের মধ্যে পচনশীল ও অপচনশীল-দুই ধরনের বর্জ্যই মিশ্রিত থাকে। এর ফলে এই ময়লাগুলো আলাদা করে পরবর্তী জীবন চক্রে সংযোজন সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্ভব হয়ে উঠে না। পচনশীল বর্জ্য এক পর্যায়ে মাটিতে মিশে গেলেও অপচনশীল বর্জ্য দূষিত করে রাস্তাঘাট ও নদীনালা; যার প্রতিফলন হিসেবে ঘটছে পরিবেশ বিপর্যয়।
তিনি বলেন, পচনশীল ও অপচনশীল- এই দুই ধরনের বর্জ্য ভিন্ন বিনে ফেলতে সচেতনতা তৈরি ও মানুষের মাঝে অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য ‘বিনস অব চেঞ্জ’ উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছি।
আরএফএল হাউজওয়্যারের ব্র্যান্ড ম্যানেজার শফিক শাহিন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য রাখার জন্য আলাদা বিন সরবরাহ করা হচ্ছে এবং এর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হচ্ছে। এ বছরের মধ্যে শতাধিক প্রতিষ্ঠানে বিন সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন সচেতন হবেন, তেমনি তাদের মাধ্যমে তাদের পরিবারও এ বিষয়ে অবগত হবেন।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ২০২২ সালে বিনস অব চেঞ্জ কর্মসূচি চালু করে আরএফএল হাউজওয়্যার। কর্মসূচির অধীনে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা রাখতে রাস্তাঘাট, শপিংমল, স্কুলসহ বিভিন্নস্থানে বিন সরবরাহ ও মানুষের মাঝে এ নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে আরএফএল হাউজওয়্যার।
এমআরএম/জেআইএম