পোশাকখাতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নীতি সহায়তা চায় বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ এএম, ০৪ অক্টোবর ২০২৩

পোশাকখাতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নীতি সহায়তা চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। বৈশ্বিক বাজারে শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে এ সহায়তা চেয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠক করেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের নেতৃত্বে বিজিএমইএর একটি প্রতিনিধিদল। সেখানে সরকারের নীতি সহায়তা চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছে তারা। বিজিএমইএর প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) ও সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী।

বৈঠকে দেশের তৈরি পোশাক শিল্প, এর সম্ভাবনা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের রূপকল্প সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বৈশ্বিক অর্থনীতিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের গভীর প্রভাব এবং এই প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন, সেগুলো তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ সদস্য দেশগুলোতে ব্যাপক মূল্যস্ফীতি সৃষ্টি হয়েছে। ইউরোপ ও আমেরিকার মতো প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে পোশাকের চাহিদা কমেছে। কারণ, ভোক্তারা পোশাকের চেয়ে খাদ্য এবং জ্বালানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর ফলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমেছে।

বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। পোশাক খাতে রপ্তানি কমে যাওয়া দেশের বৈদেশিক রিজার্ভের ওপর সরাসরি প্রভাব রাখছে। বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান শিল্পের এই সংকটময় ও চ্যালেঞ্জময় পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বৈশ্বিক বাজারে শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে সরকারের নীতি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তিনি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মধ্যে রিসাইক্লিং এবং সার্কুলারটির প্রসারের জন্য সরকারি নীতি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পোশাক শিল্পের জন্য ব্যাংকিং খাত থেকে সহজতর সেবা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি।

ইএআর/এমএএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।